পটসডাম ঘোষণা ও জাপানের প্রত্যাখ্যান: যুক্তরাষ্ট্র কেন পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল?
সিরিজ: হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা
পটসডাম ঘোষণা ও পারমাণবিক হামলার সিদ্ধান্ত
১৯৪৫ সালের গ্রীষ্মে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলেও প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধ চলছিল। জাপানের নৌ ও বিমানশক্তি প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অবরুদ্ধ ছিল এবং মার্কিন বোমাবর্ষণে টোকিওসহ বহু শহর পুড়ে গিয়েছিল। তবু জাপানি সরকার নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে সম্মত হয়নি। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, যার ধ্বংসক্ষমতা তখন পর্যন্ত কোনো যুদ্ধে দেখা যায়নি। পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের সিদ্ধান্তটি শুধু পটসডাম ঘোষণা প্রত্যাখ্যানের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল না; এটি বহু মাসের সামরিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক হিসাব, জাপানি প্রতিরোধ এবং দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার চাপের সম্মিলিত ফল।
ইও জিমা ও ওকিনাওয়ার যুদ্ধ মার্কিন নেতৃত্বকে বুঝিয়েছিল, জাপানের মূল ভূখণ্ড আক্রমণ সহজ হবে না। ইও জিমায় প্রায় প্রতিটি জাপানি সেনা মৃত্যু পর্যন্ত লড়েছিল। ওকিনাওয়ায় জাপানি সেনাদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষ নিহত হয় এবং কামিকাজে হামলায় মার্কিন নৌবহর গুরুতর ক্ষতির মুখে পড়ে। জাপান “কেতসু-গো” নামে মূল ভূখণ্ড রক্ষার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। সৈন্য, বিমান, আত্মঘাতী নৌযান এবং সাধারণ নাগরিকদের সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য সংগঠিত করা হচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত আক্রমণের প্রথম ধাপ, “অপারেশন অলিম্পিক”, ১৯৪৫ সালের নভেম্বরে কিউশুতে এবং পরবর্তী “অপারেশন করোনেট” ১৯৪৬ সালের বসন্তে টোকিও সমভূমিতে চালানোর কথা ছিল।
সম্ভাব্য হতাহতের সংখ্যা নিয়ে সে সময় বিভিন্ন সামরিক দপ্তর ভিন্ন হিসাব দিয়েছিল। যুদ্ধের পরে প্রচারিত কয়েক লাখ বা তারও বেশি মার্কিন প্রাণহানির সব অনুমান বোমা ব্যবহারের আগেই একইভাবে গৃহীত হয়েছিল—এমন দাবি সঠিক নয়। তবে ওকিনাওয়ার অভিজ্ঞতা, জাপানে মোতায়েন করা সেনার সংখ্যা এবং বেসামরিক প্রতিরোধের প্রস্তুতি দেখে মার্কিন নীতিনির্ধারকেরা নিশ্চিত ছিলেন যে মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ অত্যন্ত দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী হতে পারে। শুধু মার্কিন সৈন্য নয়, জাপানি সেনা ও সাধারণ মানুষের মৃত্যুও বিপুল হওয়ার আশঙ্কা ছিল। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে অবরোধ, খাদ্যসংকট, অগ্নিবোমা এবং অধিকৃত এশীয় অঞ্চলে চলমান সহিংসতায় আরও বহু মানুষ মারা যেত।
অন্যদিকে জাপানি নেতৃত্বের মধ্যেও যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী কান্তারো সুজুকি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিগেনোরি তোগো এবং সম্রাটের কিছু উপদেষ্টা যুদ্ধ শেষ করার পথ খুঁজছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর প্রভাবশালী নেতারা এমন আত্মসমর্পণ চাননি, যাতে সম্রাটের অবস্থান বিলুপ্ত হয়, জাপান বিদেশি দখলে যায়, সৈন্যদের নিরস্ত্র করা হয় কিংবা যুদ্ধাপরাধের বিচার বিদেশিদের হাতে চলে যায়। শান্তির পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ নয়, অনুকূল শর্তে সমঝোতা চাইছিলেন।
জাপান তখনও সোভিয়েত ইউনিয়নকে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেখছিল। মস্কো ও টোকিওর মধ্যে ১৯৪১ সালের নিরপেক্ষতা চুক্তি ছিল, যদিও সোভিয়েত সরকার ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে জানিয়ে দিয়েছিল যে চুক্তিটি আর নবায়ন করা হবে না। জাপানি নেতৃত্ব আশা করেছিল, মস্কোর সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের কাছ থেকে গ্রহণযোগ্য শর্ত আদায় করা যাবে। কিন্তু সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ইতিমধ্যে মিত্রশক্তিকে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রবেশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ফলে জাপানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এমন একটি শক্তির ওপর নির্ভর করছিল, যে গোপনে তার বিরুদ্ধেই সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
১৯৪৫ সালের ১৭ জুলাই বার্লিনের উপকণ্ঠে পটসডাম সম্মেলন শুরু হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান সম্মেলনে পৌঁছানোর পর ট্রিনিটি পারমাণবিক পরীক্ষার সফলতার সংবাদ পান। এই সাফল্য তাঁকে নিশ্চিত করে যে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে শিগগিরই কার্যকর নতুন অস্ত্র থাকবে। ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনের নামে পটসডাম ঘোষণা প্রকাশ করা হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন তখনও জাপানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে না থাকায় ঘোষণায় স্বাক্ষর করেনি।
ঘোষণায় জাপানের সব সশস্ত্র বাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করা হয়। সামরিকবাদীদের ক্ষমতা অপসারণ, জাপানের সার্বভৌমত্ব নির্দিষ্ট প্রধান দ্বীপে সীমিত করা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, দখলদার বাহিনী মোতায়েন, নিরস্ত্রীকরণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে বলা হয়েছিল, জাপানকে জাতি হিসেবে ধ্বংস বা জনগণকে দাসত্বে আবদ্ধ করার উদ্দেশ্য মিত্রশক্তির নেই। তবে আত্মসমর্পণ না করলে দেশটিকে “দ্রুত ও সম্পূর্ণ ধ্বংসের” মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করা হয়।
ঘোষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্পষ্টতা ছিল সম্রাট হিরোহিতোর ভবিষ্যৎ। এতে বলা হয়েছিল, জাপানের সরকার শেষ পর্যন্ত জনগণের স্বাধীনভাবে প্রকাশিত ইচ্ছার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হবে; কিন্তু সম্রাটকে রাখা হবে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা মনে করতেন, সম্রাটকে সাংবিধানিক প্রতীক হিসেবে রাখার নিশ্চয়তা দিলে আত্মসমর্পণ সহজ হতে পারে। যুদ্ধমন্ত্রী হেনরি স্টিমসনও এই সম্ভাবনার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। কিন্তু মার্কিন জনমতের একটি বড় অংশ পার্ল হারবার, যুদ্ধবন্দীদের ওপর নির্যাতন এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের নৃশংসতার কারণে জাপানকে কোনো আগাম ছাড় দেওয়ার বিরোধী ছিল।
পটসডাম ঘোষণা পাওয়ার পর জাপানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব সঙ্গে সঙ্গে আনুষ্ঠানিক প্রত্যাখ্যানপত্র দেয়নি। তারা বিভক্ত ছিল এবং সোভিয়েত প্রতিক্রিয়া জানার জন্য অপেক্ষা করতে চেয়েছিল। ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী সুজুকি সংবাদমাধ্যমের সামনে “মোকুসাতসু” শব্দটি ব্যবহার করেন। শব্দটির অর্থ প্রসঙ্গভেদে “উপেক্ষা করা”, “মন্তব্য না করা” বা “নীরবে বিবেচনা করা” হতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদে এটি সাধারণত ঘোষণাটিকে প্রত্যাখ্যান বা অবজ্ঞা করার সিদ্ধান্ত হিসেবে অনূদিত হয়। সুজুকি ঘোষণাটিকে আগের মিত্রশক্তির দাবির পুনরাবৃত্তি বলেও উল্লেখ করেন এবং জানান যে জাপান যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। ফলে ওয়াশিংটনের কাছে এমন কোনো স্পষ্ট সংকেত পৌঁছায়নি যে জাপান অবিলম্বে আত্মসমর্পণে প্রস্তুত।
তবে “জাপান শান্তি চাইছিল, অথচ শুধু একটি ভুল অনুবাদের কারণে বোমা পড়েছিল”—এই জনপ্রিয় ব্যাখ্যা অতিসরল। জাপানের কিছু নেতা যুদ্ধ শেষ করতে চাইলেও সরকার তখনও পটসডামের শর্ত গ্রহণ করেনি। সামরিক নেতৃত্ব নিরস্ত্রীকরণ, দখল এবং বিদেশি বিচারের বিরোধিতা করছিল। এমনকি পরবর্তী সময়ে দুটি পারমাণবিক হামলা ও সোভিয়েত আক্রমণের পরও উচ্চপর্যায়ের সভায় আত্মসমর্পণের প্রশ্নে সমান সমান বিভাজন সৃষ্টি হয়েছিল। তাই মোকুসাতসু শব্দের অনুবাদ পরিস্থিতিকে কঠোরভাবে উপস্থাপন করলেও এটিই একমাত্র সিদ্ধান্তনির্ধারক কারণ ছিল না।
পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের প্রস্তুতি পটসডাম ঘোষণার আগেই অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল। ১৯৪৫ সালের মে মাসে টার্গেট কমিটি কিয়োটো, হিরোশিমা, ইয়োকোহামা, কোকুরা ও নিইগাতাসহ সম্ভাব্য লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা করে। পরে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে কিয়োটো তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ১ জুন অন্তর্বর্তী কমিটি পূর্বসতর্কতা ছাড়া একটি সামরিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নগর এলাকায় বোমা ব্যবহারের সুপারিশ করে। উদ্দেশ্য ছিল এমন মানসিক অভিঘাত সৃষ্টি করা, যা জাপানি নেতৃত্বকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করবে। ২৫ জুলাই জেনারেল কার্ল স্পাৎজকে ৩ আগস্টের পর আবহাওয়া অনুকূল হলেই নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোর একটিতে প্রথম বিশেষ বোমা ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। অর্থাৎ পটসডামের জাপানি প্রতিক্রিয়া বোমা ব্যবহারের পূর্বপ্রস্তুত প্রক্রিয়াকে থামায়নি; বরং তা অব্যাহত রাখার রাজনৈতিক যুক্তিকে শক্তিশালী করেছিল।
ট্রুম্যান ও তাঁর উপদেষ্টাদের কাছে বোমা ব্যবহারের প্রধান যুক্তি ছিল যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা এবং মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ এড়ানো। পাশাপাশি ব্যয়বহুল ম্যানহাটন প্রজেক্টে তৈরি অস্ত্রটির কার্যকারিতা দেখানোর চাপ, পার্ল হারবারের পর প্রতিশোধপ্রবণ জনমত এবং নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের নীতিও সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধে প্রবেশের আগেই জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা গেলে পূর্ব এশিয়ায় সোভিয়েত প্রভাব সীমিত রাখা সম্ভব—এমন কৌশলগত হিসাবও কিছু মার্কিন নীতিনির্ধারকের চিন্তায় ছিল। তবে ইতিহাসবিদদের মধ্যে বিতর্ক আছে, এই সোভিয়েত বিবেচনা বোমা ব্যবহারের মূল কারণ ছিল, নাকি গুরুত্বপূর্ণ হলেও গৌণ একটি উপাদান।
বিকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। জনমানবহীন এলাকায় বোমার প্রদর্শনী, সম্রাটের অবস্থান রক্ষার স্পষ্ট নিশ্চয়তা, অবরোধ ও প্রচলিত বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়া কিংবা সোভিয়েত আক্রমণের ফল দেখার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু প্রদর্শনী ব্যর্থ হলে মানসিক প্রভাব নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ছিল; তখন হাতে অল্পসংখ্যক বোমা থাকায় একটি নষ্ট করার ঝুঁকিও কর্তৃপক্ষ নিতে চায়নি। অবরোধ ও অপেক্ষা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করত, আর আগাম সতর্কতা দিলে জাপান যুদ্ধবন্দীদের লক্ষ্যস্থলে সরিয়ে নিতে বা বিমান প্রতিরক্ষা জোরদার করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। সিদ্ধান্তগ্রহণকারীরা এসব বিকল্পকে পারমাণবিক হামলার তুলনায় যথেষ্ট নিশ্চিত বা দ্রুত ফলদায়ক মনে করেননি।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ট্রুম্যানের সামনে কোনো একক বৈঠকে “বোমা ব্যবহার করা হবে কি হবে না” প্রশ্নে সরল হ্যাঁ-না সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অস্ত্র তৈরির শুরু থেকেই সফল হলে তা ব্যবহৃত হবে—এমন একটি প্রায় স্বাভাবিক সামরিক ধারণা প্রশাসনের মধ্যে গড়ে উঠেছিল। ট্রুম্যান লক্ষ্যনির্ধারণ ও ব্যবহারের প্রস্তুতি অনুমোদন করেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই প্রক্রিয়াকে যতটা নাটকীয় ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে, বাস্তবে তা ছিল বহু প্রতিষ্ঠান, সামরিক নির্দেশ এবং পূর্ববর্তী নীতির ধারাবাহিকতা।
জাপানের পটসডাম ঘোষণা গ্রহণ না করা যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক যুক্তি দেয়, কিন্তু পারমাণবিক হামলার সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা নয়। এর পেছনে ছিল জাপানের কঠোর সামরিক প্রতিরোধ, নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ নিয়ে দ্বন্দ্ব, সম্ভাব্য স্থল আক্রমণের ভয়, নতুন অস্ত্রের সফলতা, সোভিয়েত ইউনিয়নের আসন্ন প্রবেশ এবং দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার তাগিদ। ১৯৪৫ সালের জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে এসব কারণ একত্রিত হয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে, যেখানে মার্কিন নেতৃত্ব বোমা ব্যবহারকে শুধু একটি বিকল্প নয়, কার্যত পূর্বনির্ধারিত পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে শুরু করেছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত হিরোশিমা ও নাগাসাকির সাধারণ মানুষের জীবনে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতিগুলোর একটি নিয়ে আসে।
বার্লিন অবরোধ ও এয়ারলিফট: স্নায়ুযুদ্ধের প্রথম বড় সংঘাতের ইতিহাস
ট্রুম্যান নীতি, মার্শাল পরিকল্পনা ও আয়রন কার্টেন: ইউরোপ বিভক্ত হওয়ার ইতিহাস
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন যেভাবে শত্রু পরাশক্তিতে পরিণত হয়
খে সান ও টেট অফেনসিভ: ১৯৬৮ সালের আক্রমণ যেভাবে ভিয়েতনাম যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়েছিল
এজেন্ট অরেঞ্জ ও ন্যাপাম: ভিয়েতনাম যুদ্ধে রাসায়নিক পদার্থ ও বেসামরিক বিপর্যয়
ইয়া দ্রাং থেকে সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয়: ভিয়েতনামের জঙ্গলযুদ্ধ ও গেরিলা কৌশল