বাংলায় জানার নতুন ঠিকানা

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ভারতে ব্রিটিশ উত্থান: বাণিজ্য থেকে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

সিরিজ: ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তার

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও ভারতে ব্রিটিশ উত্থান: বাণিজ্য থেকে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ভারতের শাসক—ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উত্থান

১৬০০ সালের শেষ দিনে ইংল্যান্ডের রানি প্রথম এলিজাবেথ একদল ব্যবসায়ীকে পূর্বাঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের একচেটিয়া অধিকার প্রদান করেন। এই রাজকীয় সনদ থেকেই জন্ম নেয় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ভারত শাসন করা ছিল না; তারা চেয়েছিল মসলা, রেশম, তুলাবস্ত্র, নীল ও অন্যান্য মূল্যবান পণ্য কিনে ইউরোপে বিক্রি করতে। তখন ভারত ছিল শক্তিশালী মুঘল সাম্রাজ্যের কেন্দ্র, আর ইংরেজ বণিকেরা ছিল তার সমৃদ্ধ বন্দরে প্রবেশের অনুমতি প্রত্যাশী বিদেশি ব্যবসায়ী। অথচ দেড় শতাব্দীর মধ্যে এই কোম্পানিই নিজস্ব সেনাবাহিনী, রাজস্বব্যবস্থা ও প্রশাসন নিয়ে ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কার্যত শাসকে পরিণত হয়।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভারতীয় যাত্রা সহজ ছিল না। ভারত মহাসাগরের বাণিজ্যে তখন পর্তুগিজদের শক্তিশালী অবস্থান ছিল এবং দ্রুত ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিও প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। ১৬১২ সালে সুরাটের কাছে সোয়ালি সমুদ্রযুদ্ধে ইংরেজরা পর্তুগিজ নৌবহরকে পরাজিত করলে মুঘল দরবারে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। পরের বছর সুরাটে স্থায়ী বাণিজ্যকুঠি স্থাপনের অনুমতি মেলে। ইংরেজ দূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে উপস্থিত হয়ে বাণিজ্যিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেন। তখন কোম্পানিকে মুঘল কর্তৃপক্ষের নিয়ম মানতে, শুল্ক দিতে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হতো।

ভারতীয় বস্ত্র, বিশেষ করে বাংলার মসলিন, রেশম ও সূক্ষ্ম সুতিবস্ত্র ইউরোপে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। কোম্পানি উপকূলীয় অঞ্চলে একের পর এক বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে তোলে। ১৬৩৯ সালে দক্ষিণ ভারতে মাদ্রাজপত্তনমের জমি পাওয়ার পর সেখানে ফোর্ট সেন্ট জর্জ নির্মিত হয়। ১৬৬১ সালে পর্তুগিজ রাজকন্যা ক্যাথরিন অব ব্রাগানজার সঙ্গে ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লসের বিয়ের যৌতুক হিসেবে বোম্বে ইংরেজদের হাতে আসে; পরে রাজা এটি কোম্পানিকে ইজারা দেন। বাংলায় কোম্পানি সুতানুটি, গোবিন্দপুর ও কলকাতাকে কেন্দ্র করে বসতি বিস্তার করে এবং ফোর্ট উইলিয়াম নির্মাণ করে। এভাবেই মাদ্রাজ, বোম্বে ও কলকাতা কোম্পানির তিন প্রধান প্রেসিডেন্সিতে পরিণত হয়।

বাণিজ্যকুঠিগুলো শুধু গুদাম ও কার্যালয় ছিল না। ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা, জলদস্যুতা এবং স্থানীয় সংঘাতের অজুহাতে কোম্পানি সেগুলোর চারপাশে প্রাচীর, দুর্গ ও কামান স্থাপন করে। বাণিজ্য রক্ষার জন্য নিজস্ব সৈন্য নিয়োগ শুরু হয়। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় সিপাহি কোম্পানির বাহিনীতে যোগ দেন। ধীরে ধীরে একটি অদ্ভুত প্রতিষ্ঠান জন্ম নেয়—যেটি একই সঙ্গে ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, দুর্গের মালিক এবং সশস্ত্র শক্তি। কোম্পানির হিসাবের খাতার পাশে কামান দাঁড়িয়ে ছিল; বাণিজ্যিক চুক্তির পেছনে ক্রমেই সামরিক চাপ সক্রিয় হয়ে উঠছিল।

১৭১৭ সালে মুঘল সম্রাট ফররুখসিয়ারের ফরমান কোম্পানির অবস্থান আরও শক্তিশালী করে। নির্দিষ্ট বার্ষিক অর্থের বিনিময়ে বাংলায় কোম্পানির নিজস্ব আমদানি-রপ্তানির ওপর বিশেষ শুল্কসুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু কোম্পানির কর্মচারীরা ব্যক্তিগত বাণিজ্যেও এই সুবিধার অপব্যবহার করতে শুরু করেন। তারা শুল্কমুক্ত অনুমতিপত্র বা দস্তক ব্যবহার করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের তুলনায় অন্যায্য সুবিধা নিতেন। এতে বাংলার নবাবের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দেশীয় ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েন। বাণিজ্যিক বিরোধ ধীরে ধীরে রাজনৈতিক সংঘাতের দিকে এগোতে থাকে।

অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধে মুঘল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়লে বিভিন্ন প্রদেশের শাসকেরা কার্যত স্বাধীন হয়ে ওঠেন। একই সময়ে ইউরোপে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক যুদ্ধগুলোতে ইংরেজ ও ফরাসি কোম্পানি স্থানীয় উত্তরাধিকারসংক্রান্ত বিরোধে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষকে সমর্থন করে। রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ১৭৫১ সালে আরকট দখল কোম্পানির সামরিক আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। এসব সংঘাতে ইংরেজরা বুঝতে পারে, সীমিতসংখ্যক ইউরোপীয় সেনা, প্রশিক্ষিত ভারতীয় সিপাহি, আধুনিক কামান এবং স্থানীয় রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অনেক বড় শক্তিকেও মোকাবিলা করা সম্ভব।

বাংলা তখন ভারতের অন্যতম সমৃদ্ধ প্রদেশ। উর্বর কৃষিজমি, উন্নত বস্ত্রশিল্প এবং ব্যস্ত নদীবন্দর অঞ্চলটিকে কোম্পানির কাছে অসাধারণ মূল্যবান করে তুলেছিল। ১৭৫৬ সালে তরুণ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় এসে কোম্পানির বেআইনি দুর্গ নির্মাণ, শুল্কসুবিধার অপব্যবহার এবং তার বিরোধীদের আশ্রয় দেওয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। তিনি কলকাতা দখল করেন। পরে রবার্ট ক্লাইভ ও অ্যাডমিরাল চার্লস ওয়াটসনের নেতৃত্বে কোম্পানি কলকাতা পুনর্দখল করে। কিন্তু শুধু সামরিক প্রতিশোধে থেমে না থেকে কোম্পানির কর্মকর্তারা নবাবকে সরিয়ে নিজেদের অনুগত শাসক বসানোর পরিকল্পনা করেন।

সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মীর জাফর, ধনী ব্যাংকার জগৎ শেঠ পরিবার, ব্যবসায়ী উমিচাঁদ এবং দরবারের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে নিয়ে গোপন ষড়যন্ত্র গড়ে ওঠে। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর প্রান্তরে নবাবের বিশাল বাহিনী কোম্পানির তুলনামূলক ছোট সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হয়। কিন্তু মীর জাফর ও তার সহযোগীরা যুদ্ধের অধিকাংশ সময় নিষ্ক্রিয় থাকেন। অল্প কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষের পর সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ঘটে। পলাশী প্রকৃত সামরিক বিজয়ের চেয়ে বিশ্বাসঘাতকতা, আর্থিক স্বার্থ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিজয় ছিল বেশি।

মীর জাফরকে বাংলার নবাব করা হলেও প্রকৃত লাভ পায় কোম্পানি। নতুন নবাব কোম্পানি ও তার কর্মকর্তাদের বিপুল অর্থ, জমি এবং বাণিজ্যিক সুবিধা দেন। রবার্ট ক্লাইভসহ অনেক কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে বিশাল সম্পদের মালিক হয়ে ব্রিটেনে ফিরে যান। তাদের কেউ কেউ “নবাব” নামে পরিচিত হন এবং ব্রিটিশ রাজনীতি ও সমাজে প্রভাব বিস্তার করেন। কোম্পানি বুঝতে পারে, সরাসরি পণ্য কেনাবেচার চেয়ে ভারতীয় শাসকদের নিয়ন্ত্রণ করে রাজস্ব ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা অনেক বেশি লাভজনক।

মীর জাফর কোম্পানির ক্রমবর্ধমান আর্থিক দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে তাকে সরিয়ে মীর কাসিমকে নবাব করা হয়। মীর কাসিম প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সংস্কার করে স্বাধীনভাবে শাসনের চেষ্টা করেন। কোম্পানির কর্মচারীদের শুল্কমুক্ত ব্যক্তিগত বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় সংঘাত শুরু হয়। পরাজিত মীর কাসিম অযোধ্যার নবাব শুজাউদ্দৌলা ও মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয়ের সঙ্গে জোট করেন। ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে কোম্পানি এই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে। পলাশী কোম্পানিকে বাংলার দরবার নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দিয়েছিল, কিন্তু বক্সারের বিজয় তাকে উত্তর ভারতের স্বীকৃত সামরিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করে।

১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাট শাহ আলম দ্বিতীয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি বা রাজস্ব আদায়ের অধিকার প্রদান করেন। এর মাধ্যমে কোম্পানি ভারতের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অঞ্চলের কর সংগ্রহের বৈধ ক্ষমতা পায়। বাইরে নবাবের প্রশাসন বজায় থাকলেও অর্থের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় কোম্পানির হাতে। এই দ্বৈত শাসনে কোম্পানি রাজস্ব আদায় করত, কিন্তু দুর্ভিক্ষ, আইনশৃঙ্খলা ও জনকল্যাণের দায়িত্ব নবাবের ওপর চাপাতে পারত। ফলে ক্ষমতা ও দায়িত্বের মধ্যে বিপজ্জনক বিচ্ছেদ সৃষ্টি হয়।

কোম্পানির রাজস্ব আদায়কারী ও তাদের সহযোগীরা স্বল্প সময়ে সর্বোচ্চ অর্থ সংগ্রহে মনোযোগ দেয়। কৃষক, জমিদার, তাঁতি ও ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। কোম্পানি বাংলার রাজস্ব ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য কিনত; ফলে ব্রিটেন থেকে রুপা পাঠানোর প্রয়োজন কমে যায়। অর্থাৎ ভারতীয়দের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়েই ভারতীয় পণ্য কিনে ইউরোপে রপ্তানি করা হচ্ছিল। বাংলার সম্পদের একটি বড় অংশ কোম্পানির লভ্যাংশ, কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং ব্রিটিশ রাষ্ট্রের সামরিক স্বার্থ পূরণে বাইরে চলে যেতে থাকে। এটিই পরে সম্পদ নিষ্কাশন বা ধনসম্পদ বহির্গমনের প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে।

১৭৬৯–৭৩ সালের ভয়াবহ বাংলার দুর্ভিক্ষে আনুমানিক কয়েক মিলিয়ন মানুষ মারা যায়, যদিও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। অনাবৃষ্টি ও ফসলহানি দুর্ভিক্ষের তাৎক্ষণিক কারণ হলেও কোম্পানির কঠোর রাজস্বনীতি, মজুতদারি এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা পরিস্থিতিকে আরও মারাত্মক করে তোলে। জনসংখ্যার বিরাট অংশ ধ্বংস হওয়ার পরও রাজস্ব সংগ্রহের চাপ পুরোপুরি কমানো হয়নি। এই বিপর্যয় দেখিয়ে দেয় যে ব্যবসায়িক মুনাফাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান বিশাল জনগোষ্ঠীর শাসক হলে তার পরিণতি কত ভয়াবহ হতে পারে।

কোম্পানির দুর্নীতি, আর্থিক সংকট ও বাংলার দুরবস্থার সংবাদ ব্রিটেনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। ১৭৭৩ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্টের মাধ্যমে ব্রিটিশ সংসদ কোম্পানির শাসনে প্রথম বড় ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং বাংলার গভর্নরকে গভর্নর-জেনারেলের পদমর্যাদা দেয়। ১৭৮৪ সালের পিটস ইন্ডিয়া অ্যাক্ট কোম্পানির বাণিজ্যিক কাজ ও রাজনৈতিক শাসনের ওপর ব্রিটিশ সরকারের দ্বৈত তদারকি প্রতিষ্ঠা করে। কোম্পানি নামমাত্র ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থাকলেও ভারতের সাম্রাজ্যিক নীতি ক্রমে ব্রিটিশ রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

পরবর্তী কয়েক দশকে কোম্পানি মহীশূরের হায়দার আলী ও টিপু সুলতান, মারাঠা শক্তি এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ভারতজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করে। সহায়ক জোট, ঋণ, চুক্তি, উত্তরাধিকারসংক্রান্ত বিরোধ এবং সামরিক দখল—সবকিছুই তার সম্প্রসারণের অস্ত্র হয়ে ওঠে। ভারতীয় রাজস্ব দিয়েই ভারতীয় সিপাহিদের বেতন দেওয়া এবং সেই বাহিনী ব্যবহার করে নতুন ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করা হতো। ভারত কার্যত নিজের সম্পদে নিজের পরাধীনতার ব্যয় বহন করছিল।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উত্থান তাই শুধু কয়েকটি যুদ্ধজয়ের কাহিনি নয়। মুঘল শক্তির পতন, ভারতীয় অভিজাতদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, ইউরোপীয় সামরিক প্রতিযোগিতা, আর্থিক পুঁজি, সিপাহি বাহিনী এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র—সবকিছুকে কাজে লাগিয়ে কোম্পানি ক্ষমতা অর্জন করেছিল। যে প্রতিষ্ঠান ভারতে এসেছিল বাণিজ্যের অনুমতি চাইতে, সেটিই শেষ পর্যন্ত কর আদায়, আইন প্রয়োগ, যুদ্ধ পরিচালনা ও শাসক নির্বাচন করতে শুরু করে। পলাশী ও বক্সারের পর গড়ে ওঠা এই কোম্পানি-সাম্রাজ্যই পরবর্তী ব্রিটিশ রাজের ভিত্তি স্থাপন করে এবং ভারতীয় উপমহাদেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও সমাজকে গভীরভাবে পরিবর্তন করে দেয়।


আপনার পছন্দ হতে পারে