শ্যোনব্রুন প্রাসাদ: হ্যাবসবার্গ সাম্রাজ্য, সম্রাজ্ঞী মারিয়া তেরেসা ও অস্ট্রিয়ার রাজকীয় ইতিহাস
সিরিজ: বিশ্বের কিংবদন্তি দুর্গ ও প্রাসাদ
শ্যোনব্রুন—হ্যাবসবার্গ রাজকীয় ঐশ্বর্যের স্মারক
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার পশ্চিমাংশে দাঁড়িয়ে থাকা শ্যোনব্রুন প্রাসাদ কেবল একটি বিশাল রাজকীয় বাসভবন নয়; এটি কয়েক শতাব্দীর হ্যাবসবার্গ শাসন, ইউরোপীয় রাজনীতি, যুদ্ধ, কূটনীতি এবং রাজদরবারের জীবনযাত্রার এক অসাধারণ সাক্ষী। প্রাসাদটির সঙ্গে সবচেয়ে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে সম্রাজ্ঞী মারিয়া তেরেসার নাম। তাঁর সময়েই শ্যোনব্রুন একটি পুরোনো রাজকীয় সম্পত্তি থেকে রূপ নেয় হ্যাবসবার্গ রাজপরিবারের অন্যতম প্রধান গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদে। পরবর্তী সময়ে এখানেই বাস করেছেন সম্রাট ফ্রানৎস যোসেফ, এখানে এসেছেন নেপোলিয়ন, আর এই প্রাসাদের একটি কক্ষেই শেষ হ্যাবসবার্গ সম্রাট প্রথম কার্ল রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন।
শ্যোনব্রুনের ইতিহাস অবশ্য মারিয়া তেরেসার বহু আগেই শুরু হয়। মধ্যযুগে বর্তমান প্রাসাদের এলাকাটি ছিল ভিয়েনার বাইরে একটি ভূসম্পত্তি। ১৫৬৯ সালে পবিত্র রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ম্যাক্সিমিলিয়ান এই অঞ্চল অধিগ্রহণ করেন। সে সময় এখানে বন, শিকারক্ষেত্র এবং একটি বাসভবন ছিল। পরবর্তী হ্যাবসবার্গ শাসকেরা মূলত শিকার ও অবকাশযাপনের জন্য স্থানটি ব্যবহার করতেন। প্রচলিত কাহিনি অনুসারে, সম্রাট দ্বিতীয় ম্যাথিয়াস এখানে শিকার করার সময় একটি ঝরনা আবিষ্কার করে সেটিকে “Schöner Brunnen”, অর্থাৎ “সুন্দর ঝরনা” বলে উল্লেখ করেছিলেন। পরবর্তীকালে এই নাম থেকেই “Schönbrunn” নামটির উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
সপ্তদশ শতকের শেষভাগে শ্যোনব্রুনকে আরও জাঁকজমকপূর্ণ রাজকীয় স্থাপনায় রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ১৬৮৩ সালে অটোমান বাহিনীর ভিয়েনা অবরোধের সময় পুরোনো স্থাপনাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর সম্রাট প্রথম লিওপোল্ড তাঁর উত্তরাধিকারী জোসেফের জন্য নতুন রাজকীয় প্রাসাদ নির্মাণের পরিকল্পনা করেন। স্থপতি ইয়োহান বার্নহার্ড ফিশার ফন এরলাখ একটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী নকশা তৈরি করেন। তাঁর প্রাথমিক পরিকল্পনা এতটাই বিশাল ছিল যে তা বাস্তবায়িত হলে শ্যোনব্রুন ইউরোপের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদগুলোর একটি হয়ে উঠত। শেষ পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনায় নির্মাণ এগিয়ে যায়।
কিন্তু শ্যোনব্রুনের প্রকৃত স্বর্ণযুগ শুরু হয় মারিয়া তেরেসার শাসনামলে। ১৭৪০ সালে হ্যাবসবার্গ ভূখণ্ডের শাসনভার গ্রহণ করার পর তাঁকে একদিকে ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, অন্যদিকে বিশাল হ্যাবসবার্গ রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করতে হয়। এই শক্তিশালী শাসকের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে ওঠে শ্যোনব্রুন। তাঁর নির্দেশে স্থপতি নিকোলাউস পাকাসি প্রাসাদটির ব্যাপক পুনর্নির্মাণ করেন এবং এটিকে হ্যাবসবার্গ রাজদরবারের উপযোগী বারোক ও রোকোকো বৈশিষ্ট্যের রাজকীয় বাসভবনে পরিণত করেন।
মারিয়া তেরেসা শুধু একজন শাসকই ছিলেন না; তিনি ছিলেন ১৬ সন্তানের মা। তাঁর সন্তানদের বিবাহ ইউরোপের বিভিন্ন রাজপরিবারের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাতদের একজন ছিলেন মারি আঁতোয়ানেত, যিনি পরে ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুইয়ের স্ত্রী হন এবং ফরাসি বিপ্লবের সময় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। ফলে শ্যোনব্রুনের কক্ষ ও করিডরগুলো এমন এক পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের সাক্ষী ছিল, যার সদস্যদের ভাগ্য পরবর্তী ইউরোপীয় ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যায়।
মারিয়া তেরেসার সময় শ্যোনব্রুনে রাজনীতি ও পারিবারিক জীবন পাশাপাশি চলত। এখানে অনুষ্ঠিত হতো রাষ্ট্রীয় বৈঠক, কূটনৈতিক সাক্ষাৎ, ভোজসভা, নৃত্যানুষ্ঠান এবং সংগীত পরিবেশনা। প্রাসাদের সবচেয়ে বিখ্যাত কক্ষগুলোর একটি গ্রেট গ্যালারি। দীর্ঘ এই রাজকীয় হলটির সাদা ও সোনালি অলংকরণ, বিশাল আয়না, ঝাড়বাতি এবং ছাদের চিত্রকর্ম হ্যাবসবার্গ রাজদরবারের ক্ষমতা ও ঐশ্বর্যের প্রতীক। এমন কক্ষ শুধু বিনোদনের জন্য ছিল না; ইউরোপীয় রাজতন্ত্রের যুগে রাজকীয় জাঁকজমক নিজেই ছিল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের একটি মাধ্যম।
শ্যোনব্রুনের সংগীত ইতিহাসও অসাধারণ। ১৭৬২ সালে মাত্র ছয় বছর বয়সী উলফগ্যাং আমাদেউস মোৎসার্ট তাঁর বাবা ও বোনের সঙ্গে শ্যোনব্রুনে এসে রাজপরিবারের সামনে সংগীত পরিবেশন করেছিলেন। পরবর্তীকালে মোৎসার্ট ইউরোপীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুরকারে পরিণত হন। ফলে তাঁর শৈশবের এই রাজদরবারি পরিবেশনা শ্যোনব্রুনের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আছে।
প্রাসাদের বাইরের বিশাল উদ্যানও এর স্থাপত্যিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাজকীয় উদ্যানকে নিছক ফুল ও গাছের সমাহার হিসেবে তৈরি করা হয়নি; প্রকৃতিকেও রাজকীয় শৃঙ্খলা ও নকশার অধীনস্থ করার ধারণা এখানে স্পষ্ট। সোজা অক্ষরেখা, জ্যামিতিক বাগান, ভাস্কর্য, ফোয়ারা এবং দীর্ঘ দৃশ্যপথ প্রাসাদের বারোক চরিত্রকে আরও শক্তিশালী করেছে। বাগানের দূরবর্তী উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা গ্লোরিয়েট শ্যোনব্রুনের সবচেয়ে পরিচিত স্থাপনাগুলোর একটি। ১৭৭৫ সালে নির্মিত এই স্থাপনা প্রাসাদ ও বাগানের ওপর থেকে এক নাটকীয় রাজকীয় দৃশ্য তৈরি করে।
শ্যোনব্রুনের আরেকটি বিস্ময়কর অংশ হলো এখানকার ঐতিহাসিক চিড়িয়াখানা। ১৭৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্যোনব্রুন চিড়িয়াখানা বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো এখনো পরিচালিত চিড়িয়াখানা হিসেবে পরিচিত। প্রথমদিকে এটি ছিল রাজপরিবারের জন্য নির্মিত প্রাণী সংগ্রহশালা। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনা দুর্লভ ও অচেনা প্রাণী রাজদরবারের কৌতূহল ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হতো। পরে এটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং আধুনিক প্রাণিবিজ্ঞান ও সংরক্ষণকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়।
মারিয়া তেরেসার মৃত্যুর পরও শ্যোনব্রুন ইউরোপীয় ইতিহাসের কেন্দ্র থেকে হারিয়ে যায়নি। নেপোলিয়নিক যুদ্ধের সময় নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ভিয়েনা দখল করার পর শ্যোনব্রুনে অবস্থান করেছিলেন। ১৮০৫ ও ১৮০৯ সালে ফরাসি বাহিনীর ভিয়েনা দখলের সঙ্গে প্রাসাদটির ইতিহাস সরাসরি যুক্ত হয়। ১৮০৯ সালের শ্যোনব্রুন চুক্তিও অস্ট্রিয়ার জন্য অত্যন্ত কঠিন রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে আসে। যে প্রাসাদ হ্যাবসবার্গ শক্তির প্রতীক ছিল, সেটিই সাময়িকভাবে বিজয়ী ফরাসি সম্রাটের আবাসে পরিণত হওয়া ছিল ইতিহাসের এক গভীর বিদ্রূপ।
উনিশ শতকে শ্যোনব্রুন আবার হ্যাবসবার্গ রাজপরিবারের ব্যক্তিগত জীবনের কেন্দ্রে পরিণত হয়। ১৮৩০ সালে এখানেই জন্মগ্রহণ করেন সম্রাট ফ্রানৎস যোসেফ প্রথম, যিনি ১৮৪৮ থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত শাসন করেন। তাঁর দীর্ঘ রাজত্ব অস্ট্রিয়ার ইতিহাসের নাটকীয় পরিবর্তনের যুগ—বিপ্লব, জাতীয়তাবাদের উত্থান, অস্ট্রিয়ার সামরিক পরাজয়, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি দ্বৈত রাজতন্ত্রের সৃষ্টি এবং শেষ পর্যন্ত প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত।
ফ্রানৎস যোসেফের স্ত্রী সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথ, যিনি “সিসি” নামে অধিক পরিচিত, শ্যোনব্রুনের ইতিহাসে আরেক কিংবদন্তি চরিত্র। সৌন্দর্য, স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্ব এবং রাজদরবারের কঠোর নিয়মের প্রতি অনীহার কারণে তিনি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে প্রায় রোমান্টিক চরিত্রে পরিণত হন। তবে তাঁর বাস্তব জীবন ছিল অনেক বেশি জটিল। রাজদরবারের আনুষ্ঠানিকতা তাঁর কাছে প্রায়ই অসহনীয় মনে হতো এবং তিনি দীর্ঘ সময় ভ্রমণে কাটাতেন। শ্যোনব্রুনের রাজকীয় কক্ষগুলো তাই হ্যাবসবার্গ পরিবারের ঐশ্বর্যের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত চাপ, বিচ্ছিন্নতা এবং ট্র্যাজেডির ইতিহাসও বহন করে।
ফ্রানৎস যোসেফ নিজে শ্যোনব্রুনে তুলনামূলকভাবে কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক জীবন কাটাতেন। রাজকীয় আড়ম্বরের মধ্যে বাস করলেও তাঁর ব্যক্তিগত কর্মক্ষেত্র ছিল আশ্চর্যজনকভাবে সংযত। ১৯১৬ সালের ২১ নভেম্বর শ্যোনব্রুন প্রাসাদেই তাঁর মৃত্যু হয়, যখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলছিল। তাঁর মৃত্যুর মাত্র দুই বছরের মধ্যেই শতাব্দীপ্রাচীন হ্যাবসবার্গ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
শেষ সম্রাট প্রথম কার্ল ১৯১৮ সালের নভেম্বরে শ্যোনব্রুনে এমন একটি ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে তিনি অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসন ত্যাগের ভাষা ব্যবহার করেননি, কিন্তু বাস্তবে হ্যাবসবার্গ শাসনের সমাপ্তি ঘটে। যে প্রাসাদে মারিয়া তেরেসার সময় রাজপরিবার ইউরোপীয় রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী কেন্দ্র পরিচালনা করেছিল, সেখানেই কয়েক প্রজন্ম পরে একটি বহু শতাব্দী পুরোনো রাজবংশের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ হয়ে যায়।
আজ শ্যোনব্রুনের বিশাল কমপ্লেক্সে এক হাজারেরও বেশি কক্ষ রয়েছে, যদিও দর্শনার্থীদের জন্য তার কেবল একটি অংশ উন্মুক্ত। রাজকীয় শয়নকক্ষ, অভ্যর্থনা কক্ষ, গ্রেট গ্যালারি, ব্যক্তিগত অধ্যয়নকক্ষ এবং অলংকৃত অভ্যন্তর দিয়ে হাঁটলে হ্যাবসবার্গ রাজপরিবারের দৈনন্দিন জীবন ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রাসাদের বর্তমান হলুদ বহির্ভাগ এতটাই পরিচিত যে এটি কার্যত অস্ট্রিয়ার রাজকীয় অতীতের একটি দৃশ্যমান প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
শ্যোনব্রুনের গুরুত্ব তাই শুধু এর সৌন্দর্যে নয়। এখানে একই স্থানে হ্যাবসবার্গ শক্তির উত্থান, মারিয়া তেরেসার রাজদরবারের ঐশ্বর্য, মোৎসার্টের শৈশবের সংগীত, নেপোলিয়নের বিজয়, ফ্রানৎস যোসেফের দীর্ঘ শাসন এবং শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যের পতনের স্মৃতি একত্র হয়েছে। ইউরোপের বহু প্রাসাদ কোনো নির্দিষ্ট রাজা বা যুগের জন্য বিখ্যাত; শ্যোনব্রুনের বিশেষত্ব হলো এটি কয়েক শতাব্দীর রাজনৈতিক পরিবর্তনকে নিজের দেয়ালের মধ্যে ধারণ করে রেখেছে।
আজকের শান্ত উদ্যান, ঝকঝকে রাজকীয় কক্ষ এবং পর্যটকে ভরা প্রাঙ্গণ দেখে সহজে বোঝা যায় না যে একসময় এখানকার সিদ্ধান্ত ইউরোপের কোটি মানুষের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করত। শ্যোনব্রুন মূলত একটি প্রাসাদের চেয়েও বড় ঐতিহাসিক দলিল—পাথর, সোনালি অলংকরণ, বাগান ও রাজকীয় কক্ষের মধ্যে সংরক্ষিত হ্যাবসবার্গ বিশ্বের স্মৃতি। মারিয়া তেরেসার অষ্টাদশ শতকের রাজদরবার থেকে ১৯১৮ সালের রাজতন্ত্রের অবসান পর্যন্ত এর ইতিহাস অনুসরণ করলে একই সঙ্গে দেখা যায় ইউরোপীয় রাজকীয় ক্ষমতার জাঁকজমক, তার রাজনৈতিক প্রভাব এবং শেষ পর্যন্ত সেই পুরোনো ব্যবস্থার অবসান।
কার্লস্টেইন ক্যাসেল: পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের রাজমুকুট ও পবিত্র নিদর্শন রক্ষার চেক দুর্গ
সমুদ্রের পানি নীল কিন্তু এক গ্লাস পানি স্বচ্ছ কেন? আলোর বিজ্ঞান ও পানির রঙের রহস্য
মরুভূমির বালু কখনো ‘গান গায়’ কেন? সিংগিং স্যান্ড ডিউনের রহস্য
বলিভিয়ার ‘ডেথ রোড’: পাহাড়ের খাড়া খাদে নির্মিত সড়কটি কেন পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক পথগুলোর একটি?