পোল্যান্ড আক্রমণ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা: ব্লিৎজক্রিগের ইতিহাস
সিরিজ: নাৎসি জার্মানির উত্থান ও পতন
পোল্যান্ড আক্রমণে বিশ্বযুদ্ধের সূচনা
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভোরে নাৎসি জার্মানির স্থল ও বিমানবাহিনী পোল্যান্ডের সীমান্ত অতিক্রম করলে ইউরোপের বহু বছরের রাজনৈতিক উত্তেজনা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে বিস্ফোরিত হয়। হিটলার এর আগে রাইনল্যান্ড পুনঃসামরিকীকরণ, অস্ট্রিয়া সংযুক্তি, সুদেতেনল্যান্ড অধিগ্রহণ এবং চেক ভূখণ্ড দখল করে প্রতিবারই বড় ধরনের সামরিক প্রতিরোধ এড়াতে পেরেছিলেন। তিনি ধারণা করেছিলেন, পোল্যান্ডের ক্ষেত্রেও ব্রিটেন ও ফ্রান্স শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের ঝুঁকি নেবে না। কিন্তু এবার তার হিসাব সম্পূর্ণভাবে মেলেনি। পোল্যান্ড আক্রমণ শুধু আরেকটি ভূখণ্ড দখলের অভিযান ছিল না; এটি ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি সূচনা করেছিল।
পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে হিটলারের দাবির কেন্দ্রে ছিল দানৎসিগ মুক্ত নগরী এবং পোলিশ করিডর। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পুনর্গঠিত পোল্যান্ডকে বাল্টিক সাগরে প্রবেশাধিকার দিতে এই করিডর তৈরি করা হয়েছিল, যা পূর্ব প্রুশিয়াকে জার্মানির মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করেছিল। দানৎসিগের অধিকাংশ অধিবাসী জার্মানভাষী হলেও নগরীটি জাতিপুঞ্জের তত্ত্বাবধানে ছিল এবং পোল্যান্ড সেখানে বিশেষ অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করত। হিটলার দানৎসিগকে জার্মানির সঙ্গে যুক্ত করা এবং করিডরের মধ্য দিয়ে একটি বিশেষ সড়ক ও রেলপথ নির্মাণের দাবি তোলেন।
কিন্তু হিটলারের প্রকৃত লক্ষ্য কেবল দানৎসিগ ছিল না। নাৎসি মতাদর্শে পোল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্থায়ীভাবে টিকে থাকার অধিকার দেওয়া হয়নি। হিটলার পূর্ব ইউরোপে জার্মান বসতির জন্য তথাকথিত “জীবনধারণের স্থান” দখল করতে চেয়েছিলেন। পোলিশ রাষ্ট্র ধ্বংস, রাজনৈতিক নেতৃত্ব নির্মূল এবং জনসংখ্যার একটি অংশকে বহিষ্কার বা দাসশ্রমে ব্যবহার করার পরিকল্পনা আক্রমণের আগেই গড়ে উঠেছিল। দানৎসিগ সংকট ছিল তাই একটি বৃহত্তর উপনিবেশবাদী ও বর্ণবাদী যুদ্ধের অজুহাত।
১৯৩৯ সালের মার্চে জার্মানি চেকোস্লোভাকিয়ার অবশিষ্টাংশ দখল করার পর ব্রিটিশ সরকার বুঝতে পারে, হিটলারের প্রতিশ্রুতির ওপর আর নির্ভর করা যায় না। ৩১ মার্চ ব্রিটেন পোল্যান্ডের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা ঘোষণা করে; পরে ফ্রান্সও নিজের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। তবে পোল্যান্ডকে কার্যকর সামরিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল দুর্বল। ব্রিটেন ও ফ্রান্স আশা করেছিল, যুদ্ধের নিশ্চয়তা হিটলারকে আক্রমণ থেকে বিরত রাখবে। অন্যদিকে হিটলার মনে করতেন, পশ্চিমা শক্তিগুলো পোল্যান্ডের জন্য বৃহৎ যুদ্ধে নামবে না।
জার্মানির সামনে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সমস্যা ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য অবস্থান। পূর্ব ও পশ্চিম—দুই দিক থেকে যুদ্ধ এড়াতে হিটলার সাময়িকভাবে নিজের তীব্র কমিউনিজমবিরোধী অবস্থান পাশে সরিয়ে রাখেন। ১৯৩৯ সালের ২৩ আগস্ট মস্কোতে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োয়াখিম ফন রিবেনট্রপ ও সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিয়াচেস্লাভ মলোটভ একটি অনাক্রমণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। প্রকাশ্য অংশে দুই দেশ পরস্পরকে আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি দিলেও গোপন প্রোটোকলে পূর্ব ইউরোপকে জার্মান ও সোভিয়েত প্রভাববলয়ে ভাগ করার পরিকল্পনা করা হয়।
পোল্যান্ডকে দুই শক্তির মধ্যে ভাগ করার গোপন সমঝোতা হিটলারের আক্রমণের পথ পরিষ্কার করে। তিনি ধরে নেন, সোভিয়েত ইউনিয়নের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হওয়ায় ব্রিটেন ও ফ্রান্স আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্তালিন পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে আলোচনার ব্যর্থতা, সময় কেনার প্রয়োজন এবং পূর্ব ইউরোপে হারানো রুশ সাম্রাজ্যিক প্রভাব পুনরুদ্ধারের সুযোগ বিবেচনা করেছিলেন। দুই মতাদর্শিক শত্রুর এই সাময়িক চুক্তির মূল্য দিতে হয়েছিল পোল্যান্ড ও অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় রাষ্ট্রকে।
আক্রমণকে আত্মরক্ষা হিসেবে দেখাতে নাৎসিরা একাধিক সাজানো সীমান্ত ঘটনার পরিকল্পনা করে। ১৯৩৯ সালের ৩১ আগস্ট এসএস সদস্যরা পোলিশ পোশাক পরে জার্মান সীমান্তের কাছে গ্লাইভিৎস বেতারকেন্দ্রে হামলার অভিনয় করে। সেখানে পোলিশ ভাষায় সংক্ষিপ্ত জার্মানবিরোধী বার্তা প্রচার করা হয় এবং ঘটনাস্থলে বন্দিশিবির থেকে আনা এক ব্যক্তির মৃতদেহ রেখে তাকে পোলিশ হামলাকারী হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। পরদিন হিটলার দাবি করেন, পোল্যান্ড জার্মান ভূখণ্ডে আক্রমণ চালিয়েছে। বাস্তবে এটি ছিল আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া যুদ্ধকে বৈধ দেখানোর জন্য নির্মিত মিথ্যা অজুহাত।
১ সেপ্টেম্বর ভোরে জার্মান যুদ্ধজাহাজ শ্লেসভিগ-হলস্টাইন দানৎসিগের কাছে ভেস্টারপ্লাটের পোলিশ সামরিক অবস্থানে গোলাবর্ষণ শুরু করে। একই সময়ে জার্মান বিমানবাহিনী পোল্যান্ডের বিমানঘাঁটি, রেলপথ, সেতু, যোগাযোগকেন্দ্র ও শহরগুলোর ওপর হামলা চালায়। স্থলবাহিনী উত্তর, পশ্চিম ও দক্ষিণ দিক থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে। পূর্ব প্রুশিয়া, পোমেরানিয়া, সিলেসিয়া এবং জার্মান-নিয়ন্ত্রিত স্লোভাকিয়া থেকে পরিচালিত আক্রমণে পোল্যান্ডকে একাধিক দিক থেকে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
এই দ্রুত সমন্বিত আক্রমণকে সাধারণভাবে ব্লিৎজক্রিগ বা “বিদ্যুৎগতির যুদ্ধ” বলা হয়। শব্দটি সে সময় প্রচলিত হলেও জার্মান সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক একক মতবাদ হিসেবে এর ব্যবহার নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে সতর্কতা রয়েছে। বাস্তবে কৌশলটির কেন্দ্রে ছিল নির্দিষ্ট স্থানে ট্যাংক, মোটরচালিত পদাতিক, কামান, প্রকৌশলী ও বিমানশক্তির সমন্বিত আঘাত। প্রতিরক্ষা ভেঙে গেলে দ্রুতগামী বাহিনী গভীরে প্রবেশ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করত এবং শত্রু সেনাদের ঘিরে ফেলত। পদাতিক বাহিনী পরে এসে অবরুদ্ধ প্রতিরোধ শেষ করত।
লুফটওয়াফে পোলিশ রেলপথ, সদর দপ্তর ও যোগাযোগব্যবস্থায় হামলা চালিয়ে সেনা চলাচল কঠিন করে তোলে। স্টুকা ডাইভ বোমারু বিমান নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে তীব্র শব্দে নিচে নেমে আক্রমণ করত, যা সামরিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক আতঙ্ক সৃষ্টি করত। জার্মান সেনাবাহিনীর সব ইউনিট যান্ত্রিক ছিল না; অধিকাংশ পদাতিক ও সরঞ্জাম তখনো পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চলত। তবে প্যানজার ইউনিটগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে না দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কেন্দ্রীভূত করার কারণে তারা দ্রুত প্রতিরক্ষা ভেদ করতে সক্ষম হয়।
পোলিশ বাহিনী সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ করলেও তারা গুরুতর কৌশলগত অসুবিধায় ছিল। দেশের দীর্ঘ সীমান্ত রক্ষা করতে গিয়ে বাহিনী বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। জার্মানির তুলনায় তাদের ট্যাংক, যুদ্ধবিমান, বেতার যোগাযোগ ও মোটরচালিত ইউনিট কম ছিল। তা সত্ত্বেও পোলিশ সেনাবাহিনী আধুনিক যুদ্ধ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ কিংবা প্রধানত অশ্বারোহী বাহিনী দিয়ে ট্যাংকের বিরুদ্ধে তলোয়ার হাতে আক্রমণ করেছিল—এমন জনপ্রিয় গল্প সত্য নয়। পোলিশ অশ্বারোহী ইউনিটগুলো সাধারণত দ্রুত চলাচলকারী পদাতিক হিসেবে যুদ্ধ করত এবং তাদের কাছে ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্রও ছিল।
ভেস্টারপ্লাটের অল্পসংখ্যক পোলিশ রক্ষী সাত দিন প্রতিরোধ করে। ভিজনার যুদ্ধে পোলিশ বাহিনী অনেক বড় জার্মান বাহিনীর অগ্রগতি বিলম্বিত করে এবং হেল উপদ্বীপেও দীর্ঘ প্রতিরোধ চলে। সবচেয়ে বড় পাল্টা আক্রমণ শুরু হয় ৯ সেপ্টেম্বর বজুরা নদীর কাছে। প্রথমদিকে পোলিশ বাহিনী কিছু সাফল্য পেলেও জার্মান বিমান ও স্থলবাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণে তারা ঘেরাও হয়ে পড়ে। পোলিশ প্রতিরোধের বহু উদাহরণ থাকলেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ও দ্রুত জার্মান অগ্রযাত্রার কারণে কেন্দ্রীয়ভাবে যুদ্ধ পরিচালনা কঠিন হয়ে ওঠে।
৩ সেপ্টেম্বর ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানিকে পোল্যান্ড থেকে সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত দাবি জানায়। হিটলার তা প্রত্যাখ্যান করলে দুই দেশ জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং পরে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যান্য অংশও যুদ্ধে যোগ দেয়। ইউরোপীয় সংঘাত আনুষ্ঠানিকভাবে বৃহত্তর যুদ্ধে পরিণত হয়। কিন্তু পশ্চিমে ফ্রান্সের সীমিত সার আক্রমণ ছাড়া পোল্যান্ডকে রক্ষার মতো বড় অভিযান চালানো হয়নি। পশ্চিম রণাঙ্গনের এই আপাত নিষ্ক্রিয় সময় পরে “ফনি ওয়ার” নামে পরিচিত হয়।
পোল্যান্ডের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে ১৭ সেপ্টেম্বর, যখন সোভিয়েত রেড আর্মি পূর্ব দিক থেকে দেশটিতে প্রবেশ করে। সোভিয়েত সরকার দাবি করে, পোলিশ রাষ্ট্র ভেঙে পড়ায় ইউক্রেনীয় ও বেলারুশীয় জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে তারা এগিয়ে এসেছে। বাস্তবে এই আক্রমণ ছিল নাৎসি-সোভিয়েত গোপন সমঝোতার বাস্তবায়ন। পোলিশ সরকার তখন রোমানিয়ায় সরে যায় এবং বহু সেনাকে ফ্রান্স ও ব্রিটেনে গিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। দুই বৃহৎ শক্তির আক্রমণের মুখে সংগঠিত জাতীয় প্রতিরক্ষা ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
জার্মান বাহিনী ওয়ারশকে ঘিরে ব্যাপক গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালায়। খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকটের মধ্যে রাজধানী ২৮ সেপ্টেম্বর আত্মসমর্পণ করে। মডলিন দুর্গ পরদিন এবং হেল উপদ্বীপ ২ অক্টোবর পতিত হয়। কক অঞ্চলে শেষ বড় পোলিশ বাহিনী ৬ অক্টোবর আত্মসমর্পণ করলে অভিযান কার্যত শেষ হয়। পাঁচ সপ্তাহের কিছু বেশি সময়ে পোল্যান্ড পরাজিত হলেও পোলিশ রাষ্ট্রের সংগ্রাম শেষ হয়নি। নির্বাসিত সরকার, বিদেশে পুনর্গঠিত সামরিক ইউনিট এবং দেশের ভেতরের প্রতিরোধ আন্দোলন যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত নাৎসিদের বিরুদ্ধে লড়াই চালায়।
জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পোল্যান্ডকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। জার্মান অধিকৃত এলাকায় শুরু থেকেই বর্ণবাদী সন্ত্রাস, নির্বাসন ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড চলতে থাকে। এসএসের বিশেষ বাহিনী পোলিশ বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, ধর্মযাজক, রাজনৈতিক নেতা এবং ইহুদিদের লক্ষ্যবস্তু করে। গ্রাম ও শহরে বেসামরিক মানুষ হত্যা করা হয় এবং বিপুলসংখ্যক মানুষকে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। সোভিয়েত অধিকৃত অঞ্চল থেকেও অসংখ্য পোলিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার, নির্বাসিত বা হত্যা করা হয়। ফলে পোল্যান্ডের সামরিক পরাজয় সঙ্গে সঙ্গেই দুই ধরনের দমনমূলক দখলদার শাসনের সূচনা করে।
পোল্যান্ড অভিযান হিটলারের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করলেও তার সবচেয়ে বড় ফল ছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের সূচনা। দ্রুত আক্রমণ, আকাশ ও স্থলবাহিনীর সমন্বয় এবং শত্রু যোগাযোগ ভেঙে দেওয়ার কৌশল পোল্যান্ডকে দ্রুত পরাজিত করেছিল। কিন্তু হিটলার আবারও ধরে নিয়েছিলেন যে সীমিত যুদ্ধ ও কূটনৈতিক ভীতি দিয়ে তিনি প্রতিপক্ষকে পিছিয়ে দিতে পারবেন। ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে সেই ধারাবাহিক আগ্রাসন আর স্থানীয় সংকটে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি ইউরোপ, পরে পৃথিবীর বিশাল অংশকে ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে নিমজ্জিত করেছিল।
থার্মোপাইলির যুদ্ধ: ৩০০ স্পার্টান ও গ্রিক মিত্রদের অসাধারণ প্রতিরোধ
থার্মোপাইলির গিরিপথ: লিওনিডাস কেন এখানেই পারস্যকে ঠেকাতে চেয়েছিলেন?
ম্যারাথনের প্রতিশোধ: ৪৮০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জার্ক্সিসের গ্রিস আক্রমণ
আরব বসন্তের ফলাফল ও উত্তরাধিকার: গণতন্ত্র, পাল্টা বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধ
আরব বসন্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: ফেসবুক ও টুইটার যেভাবে আন্দোলন ছড়িয়েছিল
সালেমের ডাইনি বিচারের অবসান: ২০ জনের মৃত্যু, অনুশোচনা ও নির্দোষদের সম্মান ফেরানোর ইতিহাস