ডেনমার্ক, নরওয়ে ও ফ্রান্স জয়: ১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানির পশ্চিম ইউরোপ দখল
সিরিজ: নাৎসি জার্মানির উত্থান ও পতন
১৯৪০ সালে পশ্চিম ইউরোপের পতন
১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ড দখলের পর পশ্চিম ইউরোপে কয়েক মাস বড় ধরনের স্থলযুদ্ধ হয়নি। ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও পশ্চিম রণাঙ্গনে দুই পক্ষই মূলত প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে ছিল। এই সময়টি “ফনি ওয়ার” নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। বাইরে থেকে ইউরোপকে অপেক্ষাকৃত শান্ত মনে হলেও জার্মানি পরবর্তী অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ১৯৪০ সালের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ডেনমার্ক, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ ও ফ্রান্সের পতন ইউরোপের সামরিক ভারসাম্য সম্পূর্ণ পাল্টে দেয়। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিক বিজয় নাৎসি জার্মানিকে পশ্চিম ইউরোপের প্রধান স্থলশক্তিতে পরিণত করেছিল এবং হিটলারের সেনাবাহিনীকে প্রায় অপ্রতিরোধ্য বলে মনে করিয়েছিল।
স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় জার্মান আগ্রহের প্রধান কারণ ছিল কৌশলগত ও অর্থনৈতিক। জার্মান যুদ্ধশিল্প সুইডেনের উচ্চমানের লৌহ আকরিকের ওপর নির্ভরশীল ছিল। শীতকালে বাল্টিক সাগরের কিছু বন্দর বরফে বন্ধ থাকায় এই আকরিক নরওয়ের বরফমুক্ত নারভিক বন্দর দিয়ে রেল ও সমুদ্রপথে জার্মানিতে পাঠানো হতো। ব্রিটেন এই সরবরাহপথ বন্ধ করলে জার্মান অস্ত্র উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত। নরওয়ের দীর্ঘ উপকূল, গভীর ফিয়র্ড এবং উত্তর আটলান্টিকের কাছাকাছি অবস্থানও নৌ ও বিমান অভিযানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
১৯৩৯–৪০ সালের শীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ফিনল্যান্ডের যুদ্ধের সময় ব্রিটেন ও ফ্রান্স নরওয়ে হয়ে ফিনল্যান্ডে সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল। এর মাধ্যমে তারা একই সঙ্গে সুইডিশ লৌহ আকরিকের পথ নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। ১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারিতে জার্মান জাহাজ আল্টমার্ক থেকে ব্রিটিশ নৌবাহিনী নরওয়ের নিরপেক্ষ জলসীমায় বন্দী নাবিকদের উদ্ধার করলে হিটলার মনে করেন, নরওয়ে নিজের নিরপেক্ষতা রক্ষা করতে পারবে না। তিনি ব্রিটিশদের আগেই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বন্দর দখলের সিদ্ধান্ত নেন।
১৯৪০ সালের ৯ এপ্রিল জার্মানি অপারেশন ভেজারইউবুং শুরু করে একযোগে ডেনমার্ক ও নরওয়ে আক্রমণ করে। ডেনমার্কের সমতল ভূমি, ছোট সেনাবাহিনী এবং জার্মানির সঙ্গে সরাসরি স্থলসীমান্ত তাকে অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রেখেছিল। জার্মান সেনা সীমান্ত অতিক্রম করে, কোপেনহেগেনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাহিনী নামানো হয় এবং শহরের ওপর দিয়ে বোমারু বিমান উড়িয়ে ধ্বংসের হুমকি দেওয়া হয়। ব্যাপক বেসামরিক প্রাণহানি এড়াতে ডেনিশ সরকার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আত্মসমর্পণ করে। রাজা দশম ক্রিশ্চিয়ান ও সরকার দেশে থেকে সীমিত প্রশাসনিক কর্তৃত্ব বজায় রাখলেও ডেনমার্ক কার্যত জার্মান দখলে চলে যায়।
ডেনমার্কের দ্রুত পতন নরওয়ের বিরুদ্ধে আকাশ ও সমুদ্রপথে অভিযান পরিচালনা সহজ করে। জার্মান নৌবহর অসলো, বার্গেন, ট্রনহাইম, ক্রিস্টিয়ানস্যান্ড ও নারভিকসহ গুরুত্বপূর্ণ বন্দর দখলের উদ্দেশ্যে পৃথক দলে অগ্রসর হয়। প্যারাসুট বাহিনী বিমানঘাঁটি ও যোগাযোগকেন্দ্রে নামে। স্থল, নৌ ও আকাশবাহিনীকে একসঙ্গে ব্যবহার করে এত দূরের একটি দেশে আকস্মিক আক্রমণ চালানো ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক জার্মান সৈন্যকে যুদ্ধজাহাজ ও বাণিজ্যিক জাহাজে পরিবহন করা হয়েছিল, যেগুলো ব্রিটিশ নৌবাহিনীর আক্রমণের সামনে দুর্বল ছিল।
অসলো ফিয়র্ডে নরওয়ের অস্কারসবর্গ দুর্গ জার্মান ভারী ক্রুজার ব্ল্যুশারকে কামান ও টর্পেডোর আঘাতে ডুবিয়ে দেয়। জাহাজটিতে অসলো দখল এবং নরওয়েজীয় সরকারকে গ্রেপ্তার করার জন্য পাঠানো সৈন্য ও কর্মকর্তারা ছিলেন। ব্ল্যুশারের ডুবে যাওয়ায় জার্মান বাহিনীর রাজধানীতে পৌঁছাতে বিলম্ব ঘটে। এই মূল্যবান সময়ে নরওয়ের রাজা সপ্তম হাকন, সরকার এবং দেশের স্বর্ণভান্ডারের বড় অংশ অসলো ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পারে। রাজা জার্মানির চাপ সত্ত্বেও বিদকুন কুইসলিংয়ের নেতৃত্বে সহযোগী সরকার মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান।
বিভিন্ন বন্দরে জার্মান বাহিনী সফল হলেও নরওয়েজীয় সেনারা প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স ও পোল্যান্ডের সেনারা সহায়তায় আসে। নারভিকের কাছে কয়েকটি নৌযুদ্ধে জার্মান ডেস্ট্রয়ার বাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে যায়। স্থলযুদ্ধেও মিত্রবাহিনী সাময়িকভাবে নারভিক পুনর্দখল করে, যা যুদ্ধের প্রথম উল্লেখযোগ্য মিত্র সাফল্যগুলোর একটি ছিল। কিন্তু অভিযানের সমন্বয় দুর্বল ছিল, পর্যাপ্ত বিমান সহায়তা ছিল না এবং জার্মান লুফটওয়াফে নরওয়ের আকাশে বড় সুবিধা অর্জন করেছিল।
মে মাসে ফ্রান্স ও নিম্নদেশগুলোতে জার্মান আক্রমণ শুরু হলে ব্রিটেন ও ফ্রান্স নরওয়ে থেকে নিজেদের বাহিনী সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। রাজা ও নরওয়েজীয় সরকার ব্রিটেনে চলে যান এবং ১০ জুন নরওয়ের মূল ভূখণ্ডের বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। জার্মানি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি ও লৌহ আকরিক পরিবহনপথের নিরাপত্তা পেলেও এই বিজয়ের মূল্য কম ছিল না। নরওয়ে অভিযানে জার্মান নৌবাহিনী কয়েকটি ক্রুজার, বহু ডেস্ট্রয়ার এবং অন্যান্য জাহাজ হারায়। স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় জার্মানি কৌশলগত বিজয় অর্জন করলেও তার সমুদ্রশক্তি গুরুতরভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল।
পশ্চিম ইউরোপ আক্রমণের জন্য হিটলারের প্রথম পরিকল্পনা ছিল বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসের মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মতো অগ্রসর হওয়া। কিন্তু পরিকল্পনার গোপন তথ্য বহনকারী একটি জার্মান বিমান বেলজিয়ামে বিধ্বস্ত হওয়ার পর কৌশল পুনর্বিবেচনা করা হয়। জেনারেল এরিখ ফন মানস্টাইনের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রধান সাঁজোয়া আঘাত আনা হবে আর্ডেনের ঘন বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে। মিত্র নেতৃত্ব এই অঞ্চলকে বড় ট্যাংকবাহিনীর দ্রুত চলাচলের জন্য অনুপযুক্ত বলে মনে করেছিল। তাই সেখানে তুলনামূলকভাবে দুর্বল ফরাসি বাহিনী মোতায়েন ছিল।
১৯৪০ সালের ১০ মে জার্মানি নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ ও ফ্রান্স আক্রমণ করে। জার্মান প্যারাসুট ও বিমানবাহিনী নেদারল্যান্ডসের সেতু, বিমানঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখলের চেষ্টা করে। বেলজিয়ামের এবেন-এমায়েল দুর্গে গ্লাইডারে আসা জার্মান সেনারা বিস্ফোরক ব্যবহার করে দুর্গের প্রধান প্রতিরক্ষা অকার্যকর করে দেয়। এই আক্রমণগুলো মিত্রবাহিনীকে বিশ্বাস করায় যে বেলজিয়ামের মধ্য দিয়েই প্রধান জার্মান আঘাত আসছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্রিটিশ ও ফরাসি বাহিনীর সেরা ইউনিটগুলো বেলজিয়ামের দিকে অগ্রসর হয়।
এদিকে জার্মানির প্রধান প্যানজার বাহিনী আর্ডেনের সংকীর্ণ সড়ক দিয়ে লুক্সেমবার্গ ও দক্ষিণ বেলজিয়াম অতিক্রম করে সেদানের কাছে মিউজ নদীতে পৌঁছায়। এত বিপুল যানবাহনের দীর্ঘ সারি বিমান হামলায় ধ্বংস হতে পারত, কিন্তু মিত্রবাহিনী সময়মতো এই দুর্বলতা কাজে লাগাতে পারেনি। ১৩ মে জার্মান সেনারা লুফটওয়াফের তীব্র বোমাবর্ষণের সহায়তায় মিউজ পার হয় এবং সেদানের ফরাসি প্রতিরক্ষা ভেঙে দেয়। ফরাসি কমান্ড পরিস্থিতি বুঝে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই জার্মান বাহিনী সেতুমাথা সম্প্রসারণ করে।
ট্যাংকগুলো এরপর প্যারিসের দিকে দক্ষিণে না গিয়ে দ্রুত পশ্চিমে ইংলিশ চ্যানেলের দিকে অগ্রসর হয়। জার্মান সাঁজোয়া বাহিনীর গতি ও বেতারনির্ভর সমন্বয় মিত্র কমান্ডের তুলনায় অনেক কার্যকর ছিল। ফরাসি সেনাবাহিনীর কাছে উন্নত ও শক্তিশালী ট্যাংক থাকলেও সেগুলোর অনেকটি ছোট ইউনিটে ছড়িয়ে পদাতিক সহায়তায় ব্যবহার করা হতো। জার্মানরা ট্যাংককে কেন্দ্রীভূত করে নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিরক্ষা ভাঙত এবং আকাশ থেকে দ্রুত সহায়তা পেত। ফলে জার্মানির প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠতার চেয়ে কমান্ড, যোগাযোগ, গতি ও বাহিনীগুলোর সমন্বিত ব্যবহার বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
২০ মে জার্মান বাহিনী আবেভিলের কাছে চ্যানেল উপকূলে পৌঁছে উত্তর বেলজিয়ামে থাকা ব্রিটিশ, ফরাসি ও বেলজীয় বাহিনীকে দক্ষিণের প্রধান ফরাসি সেনাবাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। লাখ লাখ মিত্রসেনা উপকূলের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়। জার্মান ট্যাংক ডানকার্কের কাছে পৌঁছালে ২৪ মে কয়েক দিনের জন্য তাদের অগ্রযাত্রা থামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। জলাভূমি, ট্যাংকের রক্ষণাবেক্ষণ, সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কা, পদাতিক বাহিনীকে এগিয়ে আসার সুযোগ এবং লুফটওয়াফের ওপর অতিরিক্ত আস্থা—সবকিছু মিলিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
এই বিরতিতে মিত্রবাহিনী ডানকার্কের প্রতিরক্ষা সংগঠিত করে। ২৬ মে থেকে ৪ জুন পরিচালিত অপারেশন ডায়নামোতে রয়্যাল নেভির জাহাজের পাশাপাশি শত শত ছোট বেসামরিক নৌযান সৈন্য সরিয়ে নিতে অংশ নেয়। প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার ব্রিটিশ ও মিত্রসেনাকে ইংল্যান্ডে নেওয়া সম্ভব হয়। ভারী অস্ত্র, ট্যাংক ও যানবাহনের বড় অংশ ফেলে যেতে হলেও প্রশিক্ষিত সেনাদের রক্ষা করা ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষমতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ডানকার্ক তাই সামরিক পশ্চাদপসরণ হওয়া সত্ত্বেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধারসাফল্যে পরিণত হয়।
ডানকার্কের পর ৫ জুন জার্মানি ফ্রান্সের অবশিষ্ট প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে নতুন আক্রমণ শুরু করে। ফরাসি বাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে লড়লেও আগের যুদ্ধে তাদের বহু সেরা ইউনিট ও সরঞ্জাম হারিয়ে গিয়েছিল। জার্মান বাহিনী সোম ও এন নদীর প্রতিরক্ষা ভেঙে দক্ষিণে এগিয়ে যায়। ইতালি ১০ জুন ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, যখন ফরাসি পরাজয় প্রায় নিশ্চিত। ১৪ জুন জার্মান সেনারা প্যারিসে প্রবেশ করে; শহরটিকে বড় ধরনের ধ্বংস থেকে বাঁচাতে উন্মুক্ত নগরী ঘোষণা করা হয়েছিল।
ফরাসি সরকার বিভক্ত হয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী পল রেনো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে থাকলেও মার্শাল ফিলিপ পেতাঁ অস্ত্রবিরতি চান। ২২ জুন কম্পিয়েনের সেই রেলকোচে যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে ১৯১৮ সালে জার্মানি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অস্ত্রবিরতি মেনে নিয়েছিল। হিটলার স্থানটি বেছে নিয়ে ভার্সাই-পরবর্তী অপমানের প্রতীকী প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। উত্তর ও পশ্চিম ফ্রান্স জার্মান দখলে যায় এবং দক্ষিণে পেতাঁর নেতৃত্বে ভিশি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে চার্লস দ্য গল লন্ডন থেকে মুক্ত ফরাসি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে শুরু করেন।
ফ্রান্সের পতন নাৎসি জার্মানির সামরিক শক্তিকে অপরাজেয় বলে মনে করালেও বাস্তবে যুদ্ধ তখনো শেষ হয়নি। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মূল জনশক্তি ডানকার্ক থেকে রক্ষা পেয়েছিল, ব্রিটিশ নৌবাহিনী শক্তিশালী ছিল এবং ব্রিটেন আত্মসমর্পণ করেনি। জার্মান বিজয়ের পেছনে আকস্মিকতা, সাহসী পরিকল্পনা, সমন্বিত সাঁজোয়া আক্রমণ এবং মিত্র নেতৃত্বের ভুল গুরুত্বপূর্ণ ছিল; শুধু সৈন্য বা অস্ত্রের সংখ্যাগত শ্রেষ্ঠতা নয়। ডেনমার্ক, নরওয়ে ও ফ্রান্সের দ্রুত পতন ১৯৪০ সালের গ্রীষ্মে হিটলারের ক্ষমতার শীর্ষ মুহূর্ত তৈরি করেছিল, কিন্তু ইংলিশ চ্যানেলের ওপারে অপেক্ষা করছিল এমন এক প্রতিপক্ষ, যাকে স্থলবাহিনীর দ্রুত অগ্রযাত্রা দিয়ে পরাজিত করা সম্ভব ছিল না।
থার্মোপাইলির যুদ্ধ: ৩০০ স্পার্টান ও গ্রিক মিত্রদের অসাধারণ প্রতিরোধ
থার্মোপাইলির গিরিপথ: লিওনিডাস কেন এখানেই পারস্যকে ঠেকাতে চেয়েছিলেন?
ম্যারাথনের প্রতিশোধ: ৪৮০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জার্ক্সিসের গ্রিস আক্রমণ
আরব বসন্তের ফলাফল ও উত্তরাধিকার: গণতন্ত্র, পাল্টা বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধ
আরব বসন্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: ফেসবুক ও টুইটার যেভাবে আন্দোলন ছড়িয়েছিল
সালেমের ডাইনি বিচারের অবসান: ২০ জনের মৃত্যু, অনুশোচনা ও নির্দোষদের সম্মান ফেরানোর ইতিহাস