হিটলারের যুদ্ধপ্রস্তুতি ও সম্প্রসারণ: রাইনল্যান্ড থেকে চেকোস্লোভাকিয়া দখল
সিরিজ: নাৎসি জার্মানির উত্থান ও পতন
যুদ্ধের পথে নাৎসি সম্প্রসারণ
১৯৩৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর অ্যাডলফ হিটলারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল ভার্সাই চুক্তির সামরিক বিধিনিষেধ ধ্বংস করা এবং ইউরোপে জার্মান আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। তার দৃষ্টিতে জার্মানির পুনরুত্থানের জন্য শুধু হারানো ভূখণ্ড ফিরিয়ে নেওয়া যথেষ্ট ছিল না; অস্ট্রিয়া ও ইউরোপের অন্যান্য জার্মানভাষী অঞ্চলকে রাইখের অন্তর্ভুক্ত করা এবং পূর্ব ইউরোপে নতুন ভূখণ্ড দখল করাও জরুরি ছিল। ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে তিনি পুনরায় অস্ত্রায়ন, কূটনৈতিক প্রতারণা, সামরিক হুমকি এবং পশ্চিমা শক্তিগুলোর যুদ্ধভীতিকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক সাফল্য অর্জন করেন। রাইনল্যান্ডে সৈন্য পাঠানো থেকে চেকোস্লোভাকিয়া দখল পর্যন্ত প্রতিটি সফল পদক্ষেপ হিটলারকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ আগ্রাসনের সাহস জুগিয়েছিল।
ভার্সাই চুক্তিতে জার্মান সেনাবাহিনী এক লাখ সদস্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ট্যাংক, সামরিক বিমান, সাবমেরিন এবং ভারী অস্ত্র তৈরিও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু ভাইমার প্রজাতন্ত্রের সময় থেকেই কিছু গোপন সামরিক কার্যক্রম চললেও হিটলার ক্ষমতায় এসে তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেন। অস্ত্র কারখানা সম্প্রসারণ, সামরিক গবেষণা এবং নতুন বিমানবাহিনী তৈরির কাজ গোপনে ও প্রকাশ্যে এগোতে থাকে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নামে সড়ক নির্মাণ ও শিল্পায়নের একটি বড় অংশকে ভবিষ্যৎ যুদ্ধের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। বেকারত্ব হ্রাসের পাশাপাশি অস্ত্র উৎপাদন জার্মান অর্থনীতিকে ক্রমে যুদ্ধনির্ভর করে তোলে।
১৯৩৩ সালের অক্টোবরে জার্মানি নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলন এবং জাতিপুঞ্জ থেকে বেরিয়ে আসে। হিটলার দাবি করেন, অন্য শক্তিগুলো অস্ত্র কমাতে রাজি না হলে জার্মানিও সমান সামরিক অধিকার লাভ করবে। ১৯৩৫ সালের মার্চে তিনি প্রকাশ্যে জার্মান বিমানবাহিনী লুফটওয়াফের অস্তিত্ব ঘোষণা করেন এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ ফিরিয়ে আনেন। সেনাবাহিনীকে পাঁচ লাখের বেশি সদস্যে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ছিল ভার্সাই চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন। ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইতালি প্রতিবাদ করলেও তারা কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। একই বছরের অ্যাংলো-জার্মান নৌচুক্তিতে ব্রিটেন জার্মান নৌবহরকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে স্বীকৃতি দেয়, যা ভার্সাই ব্যবস্থাকে আরও দুর্বল করে।
হিটলারের পরবর্তী লক্ষ্য ছিল রাইনল্যান্ড। ভার্সাই চুক্তি ও ১৯২৫ সালের লোকার্নো চুক্তি অনুযায়ী ফ্রান্স ও বেলজিয়াম সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলকে অসামরিক রাখতে হতো। রাইনল্যান্ড জার্মানির অংশ হলেও সেখানে জার্মান দুর্গ বা সেনাবাহিনী থাকতে পারত না। এই ব্যবস্থা ফ্রান্সকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সুবিধা দিত এবং পূর্ব ইউরোপে জার্মান আগ্রাসন হলে ফরাসি বাহিনী পশ্চিম দিক থেকে চাপ সৃষ্টি করতে পারত। ফলে অঞ্চলটির পুনঃসামরিকীকরণ কেবল জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন ছিল না; এটি ভবিষ্যৎ জার্মান যুদ্ধপরিকল্পনার জন্য অপরিহার্য ছিল।
১৯৩৬ সালের ৭ মার্চ জার্মান বাহিনী রাইনল্যান্ডে প্রবেশ করে। সংখ্যায় তারা সীমিত ছিল এবং হিটলারের নির্দেশ ছিল, ফরাসি বাহিনী প্রতিরোধ করলে সৈন্যদের ফিরে আসতে হবে। তখন জার্মান সেনাবাহিনী ফ্রান্সের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু ফ্রান্স রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামরিক সতর্কতা এবং ব্রিটিশ সমর্থনের অনিশ্চয়তার কারণে এককভাবে ব্যবস্থা নিতে চায়নি। ব্রিটেনের অনেকের কাছে জার্মান সেনারা নিজেদের ভূখণ্ডেই প্রবেশ করেছে বলে মনে হয়েছিল। সামরিকভাবে দুর্বল অবস্থায় নেওয়া হিটলারের বিপজ্জনক জুয়া পশ্চিমা শক্তির নিষ্ক্রিয়তার কারণে বিশাল কৌশলগত বিজয়ে পরিণত হয়।
রাইনল্যান্ডের সাফল্যের পর জার্মানি পশ্চিম সীমান্তে দুর্গ নির্মাণ শুরু করতে পারে এবং ফ্রান্সের পূর্ব ইউরোপীয় মিত্রদের নিরাপত্তা দুর্বল হয়ে পড়ে। জার্মান সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষের কাছে হিটলারের মর্যাদা বেড়ে যায়। তিনি বুঝতে পারেন, প্রতিপক্ষ যুদ্ধ এড়াতে চাইলে সীমিত কিন্তু দৃঢ় পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চুক্তি ভাঙা সম্ভব। একই বছরে স্পেনের গৃহযুদ্ধে জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর বাহিনীকে বিমান, অস্ত্র ও সেনা সহায়তা দিয়ে জার্মানি নতুন যুদ্ধবিমান, বোমাবর্ষণ পদ্ধতি ও সামরিক সমন্বয় পরীক্ষা করে।
অস্ট্রিয়াকে জার্মানির সঙ্গে যুক্ত করা হিটলারের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল। অস্ট্রিয়ায় জন্ম নেওয়া হিটলার সব জার্মানভাষী মানুষকে এক রাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করতেন। ১৯৩৪ সালে অস্ট্রিয়ান নাৎসিরা চ্যান্সেলর এঙ্গেলবার্ট ডলফুসকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করলেও অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়। তখন ইতালির বেনিতো মুসোলিনি অস্ট্রিয়ার স্বাধীনতা রক্ষায় সীমান্তে সেনা পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন। কিন্তু ইতালির ইথিওপিয়া আক্রমণের পর পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে মুসোলিনির সম্পর্ক খারাপ হয় এবং তিনি হিটলারের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। ফলে অস্ট্রিয়া তার গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকর্তাকে হারায়।
১৯৩৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে হিটলার অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর কুর্ট শুশনিগকে বৈঠকে ডেকে অস্ট্রিয়ান নাৎসিদের মুক্তি এবং আর্থার সাইস-ইনকোয়ার্টকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করার দাবি জানান। জার্মান চাপ মোকাবিলায় শুশনিগ ১৩ মার্চ অস্ট্রিয়ার স্বাধীনতার ওপর গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দেন। হিটলার আশঙ্কা করেন, ভোটে স্বাধীনতার পক্ষে ফল এলে তার পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি গণভোট বাতিল ও শুশনিগের পদত্যাগের জন্য চূড়ান্ত হুমকি দেন। শুশনিগ পদত্যাগ করলে সাইস-ইনকোয়ার্ট সরকারপ্রধান হন এবং জার্মান সামরিক হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে একটি সাজানো বার্তা প্রচার করা হয়।
১৯৩৮ সালের ১২ মার্চ জার্মান সেনাবাহিনী কোনো সামরিক প্রতিরোধ ছাড়াই অস্ট্রিয়ায় প্রবেশ করে। বহু অস্ট্রিয়ান তাদের স্বাগত জানালেও সবাই একীকরণ সমর্থন করেনি; বিরোধী, ইহুদি ও নাৎসিবিরোধীরা সঙ্গে সঙ্গে নিপীড়নের শিকার হন। পরদিন অস্ট্রিয়াকে জার্মান রাইখের অংশ ঘোষণা করা হয়। পরে কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও প্রচারণার পরিবেশে অনুষ্ঠিত গণভোটে একীকরণের পক্ষে প্রায় সর্বসম্মত ফল দেখানো হয়, কিন্তু এটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভোট ছিল না। আনশলুস জার্মানিকে নতুন জনশক্তি, অর্থনৈতিক সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থান দেয় এবং চেকোস্লোভাকিয়াকে তিন দিক থেকে চাপে ফেলে।
চেকোস্লোভাকিয়া ছিল মধ্য ইউরোপের একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যার উন্নত শিল্প, শক্তিশালী সেনাবাহিনী এবং সীমান্তে আধুনিক দুর্গব্যবস্থা ছিল। দেশটির পশ্চিম সীমান্তবর্তী সুদেতেনল্যান্ডে প্রায় ত্রিশ লাখ জার্মানভাষী মানুষ বসবাস করত। তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসন্তোষ থাকলেও হিটলারের উদ্দেশ্য শুধু তাদের অধিকার নিশ্চিত করা ছিল না। তিনি সুদেতেন সংকটকে চেকোস্লোভাক রাষ্ট্র ধ্বংসের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। কনরাড হেনলাইনের সুদেতেন জার্মান পার্টিকে বার্লিন থেকে এমন দাবি তুলতে উৎসাহিত করা হয়, যা প্রাগ সরকার সহজে মেনে নিতে পারবে না।
১৯৩৮ সালের গ্রীষ্ম ও শরতে জার্মান প্রচারণা মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত নির্যাতনের অভিযোগ ছড়িয়ে সুদেতেন জার্মানদের বিপন্ন জনগোষ্ঠী হিসেবে তুলে ধরে। একই সঙ্গে সীমান্তে জার্মান সামরিক প্রস্তুতি চলতে থাকে। চেকোস্লোভাকিয়ার সঙ্গে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা চুক্তি ছিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়নও নির্দিষ্ট শর্তে সহায়তার কথা বলেছিল। কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলিন বিশ্বাস করতেন, জার্মানভাষী অঞ্চল হিটলারকে দিলে ইউরোপে শান্তি রক্ষা করা সম্ভব হবে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি, বিমান হামলার ভয়, সামরিক প্রস্তুতির ঘাটতি এবং ভার্সাই চুক্তি জার্মানির প্রতি অতিরিক্ত কঠোর ছিল—এমন ধারণা তুষ্টিকরণনীতিকে শক্তিশালী করে।
১৯৩৮ সালের ২৯–৩০ সেপ্টেম্বর মিউনিখে হিটলার, চেম্বারলিন, মুসোলিনি ও ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার দালাদিয়ে বৈঠক করেন। চেকোস্লোভাক প্রতিনিধিদের নিজেদের ভূখণ্ড নিয়ে সিদ্ধান্তের আলোচনায় কার্যকরভাবে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। মিউনিখ চুক্তিতে সুদেতেনল্যান্ড জার্মানিকে দেওয়া হয়। ব্রিটেন ও ফ্রান্স চেকোস্লোভাকিয়াকে এই শর্ত মেনে নিতে চাপ দেয়। দেশে ফিরে চেম্বারলিন শান্তির প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করলেও বাস্তবে চুক্তিটি চেকোস্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষা ভেঙে দেয়। দেশটি সীমান্তের দুর্গ, গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল, যোগাযোগপথ এবং বিপুলসংখ্যক নাগরিক হারায়।
১৯৩৮ সালের অক্টোবরে জার্মান বাহিনী সুদেতেনল্যান্ড দখল করে। একই সময়ে পোল্যান্ড তেশেন অঞ্চল এবং হাঙ্গেরি দক্ষিণ স্লোভাকিয়া ও কার্পাথীয় রুথেনিয়ার কিছু ভূখণ্ড লাভ করে। চেকোস্লোভাকিয়া সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। হিটলার মিউনিখে সুদেতেনল্যান্ডই তার শেষ ইউরোপীয় ভূখণ্ডগত দাবি বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই প্রমাণিত হয় যে তার লক্ষ্য জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণ নয়, সমগ্র রাষ্ট্রকে ধ্বংস করা।
১৯৩৯ সালের মার্চে হিটলার স্লোভাক নেতাদের বিচ্ছিন্নতা ঘোষণা করতে চাপ দেন। এরপর চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি এমিল হাখাকে বার্লিনে ডেকে জার্মান আক্রমণ ও প্রাগে বোমাবর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়। প্রচণ্ড চাপের মধ্যে তিনি জার্মান নিয়ন্ত্রণ মেনে নিতে বাধ্য হন। ১৫ মার্চ জার্মান সেনারা প্রাগে প্রবেশ করে এবং বোহেমিয়া ও মোরাভিয়াকে জার্মান আশ্রিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। স্লোভাকিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও বাস্তবে নাৎসি জার্মানির অধীনস্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। কার্পাথীয় ইউক্রেন হাঙ্গেরির দখলে যায়।
প্রাগ দখল হিটলারের সম্প্রসারণনীতির প্রকৃত চরিত্র উন্মোচন করে। এবার তিনি কোনো জার্মানভাষী অঞ্চল নয়, চেক জনগোষ্ঠীর ভূখণ্ড দখল করেছিলেন। ব্রিটেন ও ফ্রান্স উপলব্ধি করে যে সীমিত ছাড় দিয়ে তাকে থামানো যাবে না। তারা পোল্যান্ডের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা ঘোষণা করে এবং নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি বাড়ায়। রাইনল্যান্ডে বিনা প্রতিরোধে প্রবেশ, অস্ট্রিয়াকে সংযুক্ত করা, মিউনিখে সুদেতেনল্যান্ড লাভ এবং অবশেষে চেকোস্লোভাকিয়াকে ভেঙে ফেলা—প্রতিটি সাফল্য হিটলারকে বিশ্বাস করিয়েছিল যে তার প্রতিপক্ষ শেষ মুহূর্তেও যুদ্ধ এড়াবে। সেই ভুল আত্মবিশ্বাসই কয়েক মাস পর পোল্যান্ড আক্রমণ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনার দিকে ইউরোপকে ঠেলে দেয়।
থার্মোপাইলির যুদ্ধ: ৩০০ স্পার্টান ও গ্রিক মিত্রদের অসাধারণ প্রতিরোধ
থার্মোপাইলির গিরিপথ: লিওনিডাস কেন এখানেই পারস্যকে ঠেকাতে চেয়েছিলেন?
ম্যারাথনের প্রতিশোধ: ৪৮০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জার্ক্সিসের গ্রিস আক্রমণ
আরব বসন্তের ফলাফল ও উত্তরাধিকার: গণতন্ত্র, পাল্টা বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধ
আরব বসন্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: ফেসবুক ও টুইটার যেভাবে আন্দোলন ছড়িয়েছিল
সালেমের ডাইনি বিচারের অবসান: ২০ জনের মৃত্যু, অনুশোচনা ও নির্দোষদের সম্মান ফেরানোর ইতিহাস