জন এফ. কেনেডি হত্যাকাণ্ড: ১৯৬৩ সালের ডালাসের ঘটনা ও শোকে স্তব্ধ আমেরিকা
ডালাসের সেই দিন, শোকে স্তব্ধ এক জাতি
১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর, শুক্রবার। টেক্সাসের ডালাস শহরের রাস্তার দুই পাশে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডিকে একবার দেখার আশায়। তিনি স্ত্রী জ্যাকলিন কেনেডিকে নিয়ে খোলা গাড়িতে শহর পার হচ্ছেন। কোথাও হাত নাড়ছেন, কোথাও ভিড়ের দিকে তাকিয়ে হাসছেন। দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে গাড়িটি ডিলি প্লাজায় পৌঁছায়। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে গুলির শব্দ শোনা যায়। আনন্দমুখর জনতার সামনে ঘটে যাওয়া এই আক্রমণ শুধু একজন প্রেসিডেন্টের জীবনই শেষ করেনি; যুক্তরাষ্ট্রকে গভীর শোক, ভয় এবং বহু দীর্ঘস্থায়ী প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছিল।
কেনেডি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পঁয়ত্রিশতম প্রেসিডেন্ট। ১৯৬১ সালে ক্ষমতা গ্রহণের সময় তাঁর বয়স ও রাজনৈতিক ভঙ্গি অনেকের কাছে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রতীক মনে হয়েছিল। তাঁর শাসনকাল ছিল স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনায় ভরা। কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের সময় পারমাণবিক সংঘাতের আশঙ্কা, মহাকাশ প্রতিযোগিতা এবং দেশের ভেতরে নাগরিক অধিকার আন্দোলন তাঁর প্রেসিডেন্সির গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট। তাঁর নীতির সমর্থক ও সমালোচক উভয়ই ছিলেন। কিন্তু ২২ নভেম্বরের ঘটনা রাজনৈতিক মতভেদের বাইরে গিয়ে বহু আমেরিকানের কাছে আকস্মিক ব্যক্তিগত ক্ষতির মতো অনুভূত হয়।
কেনেডির টেক্সাস সফরের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। সামনে ১৯৬৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন; টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে মতপার্থক্য কমানো এবং রাজ্যে সমর্থন শক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সফরের অংশ হিসেবে ডালাসে জনসমক্ষে গাড়িবহর নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা হয়। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন জ্যাকলিন কেনেডি, টেক্সাসের গভর্নর জন কনালি এবং তাঁর স্ত্রী নেলি কনালি। মোটরযাত্রার পথ ধরে বিপুল জনতা জড়ো হয়েছিল। সেই দিনের ছবি ও চলমান চিত্রে আক্রমণের আগের স্বাভাবিক উচ্ছ্বাস এবং তার পরপরই তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার তীব্র পার্থক্য ধরা আছে।
ডিলি প্লাজায় টেক্সাস স্কুল বুক ডিপোজিটরি ভবনের পাশ দিয়ে গাড়ি যাওয়ার সময় গুলি চলে। কেনেডি গুরুতর আহত হন; গভর্নর কনালিও গুলিবিদ্ধ হন। প্রেসিডেন্টের গাড়ি দ্রুত পার্কল্যান্ড হাসপাতালে পৌঁছায়। চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও দুপুর একটার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বয়স তখন ছেচল্লিশ বছর। ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে পৌঁছানো পর্যন্ত সময় ছিল খুব অল্প, কিন্তু খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে মানুষের কাছে সেই দুপুর দীর্ঘ ও অবিশ্বাস্য হয়ে ওঠে।
প্রথম দিকে সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত ছিলেন। প্রেসিডেন্টের অবস্থা কী, কোথা থেকে গুলি এসেছে, আক্রমণকারী ধরা পড়েছে কি না—প্রশ্নগুলোর উত্তর বদলাচ্ছিল। রেডিও ও টেলিভিশনে নিয়মিত অনুষ্ঠান থেমে জরুরি সংবাদ শুরু হয়। মানুষ কর্মস্থলে, বিদ্যালয়ে কিংবা বাড়িতে বসে খবরের অপেক্ষা করছিল। একটির পর একটি সংবাদ আসার মধ্যে কেনেডির মৃত্যুর নিশ্চিত ঘোষণা দেশজুড়ে নীরবতা নামিয়ে আনে। টেলিভিশন তখন আমেরিকান পরিবারে বড় উপস্থিতি হয়ে উঠেছিল; ফলে অসংখ্য মানুষ প্রায় একই সময়ে একই দুঃসংবাদ শুনেছিলেন।
পুলিশের তদন্ত দ্রুত টেক্সাস স্কুল বুক ডিপোজিটরিতে কর্মরত লি হার্ভে অসওয়াল্ডের দিকে যায়। তাঁকে প্রথমে ডালাসের পুলিশ কর্মকর্তা জে. ডি. টিপিটকে হত্যার অভিযোগে এবং পরে প্রেসিডেন্ট হত্যার অভিযোগে আটক করা হয়। অসওয়াল্ড নিজের বিরুদ্ধে আনা হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। বিচার শুরুর আগেই, ২৪ নভেম্বর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তাঁকে স্থানান্তরের সময় জ্যাক রুবি নামের এক ব্যক্তি গুলি করে হত্যা করেন। ঘটনাটি সরাসরি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়েছিল। ফলে দেশের মানুষ প্রথম আঘাতের রেশ কাটার আগেই আরেকটি হত্যাকাণ্ড দেখতে পান।
অসওয়াল্ডের মৃত্যু তদন্তের জন্য গভীর সমস্যা তৈরি করে। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ পরীক্ষা এবং তাঁকে প্রশ্ন করার স্বাভাবিক বিচারিক প্রক্রিয়া আর সম্ভব ছিল না। তাঁর বক্তব্যের অসংগতি, পরিচিতজনদের সাক্ষ্য, অস্ত্র ও ঘটনাস্থলের আলামত—সবকিছু পরে তদন্তকারীদের পুনর্গঠন করতে হয়। রুবি কেন অসওয়াল্ডকে হত্যা করেছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়। পুলিশের হেফাজতে থাকা প্রধান সন্দেহভাজনকে এত মানুষের সামনে গুলি করা কীভাবে সম্ভব হলো, সেটি নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতাকেও স্পষ্ট করে।
কেনেডির মৃত্যুর পরই রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার প্রয়োজন দেখা দেয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন ডালাসের বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমানের ভেতর শপথ নেন। জ্যাকলিন কেনেডি তখন একই বিমানে উপস্থিত ছিলেন। শোকের মধ্যেই ক্ষমতা হস্তান্তরের এই দৃশ্য যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে আছে। একটি দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে, অথচ প্রশাসনকে সঙ্গে সঙ্গে নতুন নেতৃত্বের অধীনে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে—দিনটির রাজনৈতিক গুরুত্ব এখানেই।
জনসন পরে কেনেডি হত্যার তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠন করেন। প্রধান বিচারপতি আর্ল ওয়ারেনের নেতৃত্বে পরিচালিত হওয়ায় এটি ‘ওয়ারেন কমিশন’ নামে পরিচিত হয়। সাক্ষ্য, অস্ত্র, গুলির আলামত, চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য এবং ঘটনাস্থলের বিবরণ পরীক্ষা করে কমিশন ১৯৬৪ সালে সিদ্ধান্ত জানায়: অসওয়াল্ড টেক্সাস স্কুল বুক ডিপোজিটরি ভবন থেকে গুলি করেছিলেন এবং তাঁকে সহায়তা করা কোনো ষড়যন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ কমিশন পায়নি। এটি তদন্তের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত, কিন্তু তার পরও হত্যাকাণ্ড ঘিরে জনসাধারণের প্রশ্ন ও বিতর্ক থেমে যায়নি।
বিতর্কের একটি কারণ ছিল ঘটনাটির দৃশ্যমান বিশৃঙ্খলা। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা গুলির শব্দ কোন দিক থেকে এসেছে, তা নিয়ে এক রকম বর্ণনা দেননি। অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক গুলি চলার প্রশ্ন, কেনেডি ও কনালির আঘাতের ব্যাখ্যা এবং একজন অপেশাদার প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা চলমান চিত্র নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি কেনেডি হত্যায় ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনার কথা বলেছিল; তাদের কিছু যুক্তি বিশেষত শব্দসংক্রান্ত বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করেছিল, যা পরবর্তী পরীক্ষায় প্রশ্নের মুখে পড়ে। সম্ভাবনার আলোচনা এবং নির্দিষ্ট কোনো ষড়যন্ত্র প্রমাণ হওয়া এক বিষয় নয়।
হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশিত সরকারি নথি ও পরবর্তী অনুসন্ধান মানুষের আগ্রহ ধরে রেখেছে। বিভিন্ন সময়ে আরও নথি উন্মুক্ত হওয়ায় গোয়েন্দা সংস্থার কাজ, অসওয়াল্ডের অতীত এবং সেই সময়ের স্নায়ুযুদ্ধের পরিবেশ সম্পর্কে নতুন তথ্য জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু কোনো নথি প্রকাশিত হলেই তা প্রচলিত প্রতিটি সন্দেহের প্রমাণ হয়ে যায় না। কেনেডি হত্যার মতো বহুল আলোচিত ঘটনার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য, প্রত্যক্ষ আলামত, তদন্তকারীদের সিদ্ধান্ত এবং অনুমানকে আলাদা করে পড়া জরুরি। অসওয়াল্ডকে আদালতে বিচার করা যায়নি—এই অপূর্ণতা মানুষের প্রশ্ন দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
রাষ্ট্রপতির হত্যার তদন্ত চলছিল, আর একই সময়ে দেশ তাঁর শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কেনেডির মরদেহ ওয়াশিংটনে নেওয়া হয়। ক্যাপিটল ভবনে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়ে দীর্ঘ সারিতে দাঁড়ায় অসংখ্য মানুষ। কেউ তাঁকে সমর্থন করতেন, কেউ তাঁর নীতির সঙ্গে একমত ছিলেন না; তবু রাষ্ট্রপ্রধানকে এভাবে হারানোর ঘটনায় জাতীয় শোক রাজনৈতিক পরিচয়ের সীমা ছাড়িয়ে যায়। মানুষের হাতে ফুল, মুখে নীরবতা এবং রাজধানীর রাস্তায় ধীরগতির শোকযাত্রা সেই কয়েক দিনের পরিচিত দৃশ্য হয়ে ওঠে।
২৫ নভেম্বর কেনেডির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। ওয়াশিংটনের সেন্ট ম্যাথিউস ক্যাথেড্রালে প্রার্থনার পর তাঁকে আর্লিংটন জাতীয় সমাধিক্ষেত্রে সমাহিত করা হয়। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার দৃশ্য বিশ্বজুড়ে সম্প্রচারিত হয়। ছোট ছেলে জন জুনিয়রের বাবার কফিনের দিকে সামরিক কায়দায় স্যালুট করার মুহূর্তটি বহু মানুষের স্মৃতিতে গেঁথে আছে। সেদিন ছিল শিশুটির তৃতীয় জন্মদিন। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মাঝেও একটি পরিবারের ব্যক্তিগত শোক কত গভীর, ছবিটি মানুষকে তা মনে করিয়ে দিয়েছিল।
জ্যাকলিন কেনেডির ভূমিকা সেই শোকপর্বে বিশেষভাবে চোখে পড়ে। তিনি নিজে স্বামীর হত্যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন, তবু সন্তানদের সামলানো এবং রাষ্ট্রীয় বিদায়ের নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বও তাঁর ওপর এসে পড়ে। জনতার সামনে তাঁর সংযত উপস্থিতিকে অনেক আমেরিকান সাহসের প্রতীক হিসেবে দেখেছিলেন। তবে ইতিহাসের এই ছবির আড়ালে ব্যক্তিগত আঘাতকে ভুলে গেলে চলে না। জনতার কাছে কেনেডি ছিলেন প্রেসিডেন্ট; জ্যাকলিন ও তাঁর সন্তানদের কাছে তিনি ছিলেন স্বামী ও বাবা।
কেনেডির মৃত্যুতে বিশ্বরাজনীতিতেও উদ্বেগ তৈরি হয়। স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্ক ছিল সংবেদনশীল; হঠাৎ নেতৃত্ব বদল ভবিষ্যৎ নীতি সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছিল। মিত্রদেশগুলোর নেতারা শোক জানান এবং নতুন প্রেসিডেন্ট কীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন, সেদিকে নজর রাখেন। দেশে নাগরিক অধিকার আইনসহ কেনেডি প্রশাসনের অসমাপ্ত কাজের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। জনসন পরবর্তী সময়ে নাগরিক অধিকার আইনের অগ্রগতিকে নিহত প্রেসিডেন্টের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত করে রাজনৈতিক সমর্থন গড়তে চেষ্টা করেন।
এই হত্যাকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বিবেচনা সৃষ্টি করে। জনতার কাছাকাছি যাওয়া একজন রাজনীতিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু খোলা গাড়িতে নির্ধারিত পথে চলার ঝুঁকি সেই দিন ভয়াবহভাবে প্রকাশ পেয়েছিল। রাষ্ট্রীয় সফরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে হেফাজতে রাখার ব্যবস্থা—সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ডালাসের ঘটনার পর নিরাপত্তা কখনোই আগের মতো স্বাভাবিক ধরে নেওয়া যায়নি।
২২ নভেম্বর ১৯৬৩ সালের স্মৃতি আজও এত শক্তিশালী, কারণ সেখানে কয়েকটি অভিজ্ঞতা এক মুহূর্তে মিলেছিল: জনতার সামনে সহিংস মৃত্যু, টেলিভিশনের মাধ্যমে সংবাদ ছড়িয়ে পড়া, তদন্তের অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং একটি পরিবারের শোক। কেনেডির জীবন ও প্রেসিডেন্সি নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে; তাঁর হত্যার প্রমাণ কীভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত, তা নিয়েও বিতর্ক চলেছে। কিন্তু ডালাসের সেই দুপুরে একটি দেশ আকস্মিকভাবে তার নেতাকে হারিয়েছিল—এ নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই। ইতিহাসে দিনটি তাই শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের তারিখ নয়, আমেরিকার সম্মিলিত শোকেরও নাম।
হিমালয়: পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতমালা এখনো প্রতি বছর উঁচু হচ্ছে কেন?
আটাকামা মরুভূমি: পৃথিবীর অন্যতম শুষ্ক স্থানে বছরের পর বছর বৃষ্টি হয় না কেন?
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত: আফ্রিকার ‘ধোঁয়া যে বজ্রধ্বনি করে’ এত অসাধারণ কেন?
বৈকাল হ্রদ: পৃথিবীর গভীরতম হ্রদে বিশ্বের বিপুল মিঠাপানি কীভাবে জমা রয়েছে?
একটি দেশ কি আরেকটি দেশের ভেতরে থাকতে পারে? এনক্লেভ ও এক্সক্লেভের অদ্ভুত ভূগোল
বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ স্থানের নাম কোনটি? নিউজিল্যান্ডের পাহাড়টির নামের অর্থ ও গল্প